ওয়েব ডেস্ক; ১৮ জুলাই : নদীতীরের পুনর্নির্মাণ এবং নাগরিক পরিষেবা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্ট, কলকাতা (এসএমপি, কলকাতা) এবং পিএস গ্রুপ রিয়েলটি প্রাইভেট লিমিটেড একটি সমঝোতা পত্র (মৌ) স্বাক্ষর করেছে। এই সমঝোতা অনুসারে, পিএস গ্রুপ তাদের যৌথ সামাজিক দায়িত্ব (সিএসআর) কর্মসূচির আওতায় নিমতলা নিরঞ্জন ঘাটের পুনর্নির্মাণ, সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের কাজ করবে।

সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসএমপি, কলকাতা-র সদর দপ্তর, স্ট্র্যান্ড রোডে উপস্থিত ছিলেন রথেন্দ্র রমন, চেয়ারম্যান, এসএমপি, কলকাতা; সম্রাট রাহি, ভাইস-চেয়ারম্যান, এসএমপি, কলকাতা; পিএস গ্রুপের পরিচালকবৃন্দ — সৌরভ দুগড়, গৌরব দুগড় এবং অরুণ সাঞ্চেতি; বন্দর কর্তৃপক্ষের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

চুক্তির আওতায়, এসএমপি, কলকাতার পূর্ণ সহযোগিতায় পিএস গ্রুপ নিমতলা নিরঞ্জন ঘাটের পুনর্নির্মাণে এবং সৌন্দর্যায়নের কাজের পরিচালনা করবে।

সহযোগিতার বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, রথেন্দ্র রমন বলেন, “এই উদ্যোগ আমাদের স্থায়ী নগরোন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করে। নিমতলা ঘাট কলকাতাবাসীর কাছে আধ্যাত্মিক ও সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যেখানে বহু ধর্মীয় আচার পালিত হয়। এর পুনরুদ্ধার শুধুমাত্র নদীতীরের সৌন্দর্যই নয়, নাগরিক গর্বও বাড়াবে। আমরা এমন সামাজিকভাবে সচেতন সহযোগী পেয়ে আনন্দিত।”

পিএস গ্রুপ রিয়েলটি প্রাইভেট লিমিটেড-এর পরিচালক সৌরভ দুগড় বলেন, “আমাদের শহরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে আমরা মৌ স্বাক্ষরে এসেছি। নিমতলা ঘাট একটি পবিত্র স্থান এবং সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এর উন্নয়ন আমাদের দায়িত্ব।”

চুক্তি অনুসারে, প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য এসএমপি, কলকাতা বিদ্যুৎ, জল এবং নিরাপত্তার মতো প্রয়োজনীয় সুবিধা বিনামূল্যে প্রদান করবে। কাজ শেষ হওয়ার পর, ঘাটটি এসএমপি, কলকাতা-র কাছে দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণের জন্য হস্তান্তর করা হবে। এছাড়াও, বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সকল আইনি অনুমোদন ও নিকাশ ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও সহায়তা করবে।

এই যৌথ উদ্যোগ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের একটি সফল দৃষ্টান্ত, এবং শহরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং জনসাধারণের ব্যবহারের স্থান পুনর্গঠনের এক অনন্য নজির। এটি এসএমপি, কলকাতা-র সুস্থায়ী উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিকাঠামো নির্মাণের প্রতি দূরদর্শী নিষ্ঠার প্রতিফলন। এর ফলে এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি, জনসংযোগ ও পর্যটনেও বিকাশ ঘটবে।