ওয়েব ডেস্ক; ২৪ জুলাই : চলতি বছরের পয়লা জুলাই ধানের আপৎকালীন মজুতের নির্ধারিত সীমা যেখানে ১৩৫.৪০ লক্ষ টন, সেখানে ভাণ্ডারে মজুত রয়েছে ৩৭৭.৮৩ লক্ষ টন। গমের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সীমা ২৭৫.৮০ লক্ষ টন, সেখানে মজুত গমের পরিমাণ ৩৫৮.৭৮ লক্ষ টন। অর্থাৎ, ধান ও গমের মজুত ভাণ্ডার আপৎকালীন মজুতের নির্ধারিত সীমার থেকে অনেক বেশি রয়েছে।

বাজারদর কমাতে এবং এবং বাজারের খাদ্যশস্যের যোগান বাড়াতে ভারত সরকার গণবন্টন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক প্রকল্পের চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত শস্য খোলা বাজারে বিক্রি করে। এতে মুদ্রাস্ফীতির হারে লাগাম টানা সম্ভব হয়, খাদ্য সুরক্ষা সুনিশ্চিত হয় এবং সাধারণ মানুষ আরও সাশ্রয়ী দামে খাদ্যশস্য কিনতে পারেন। এছাড়া, ভর্তুকিযুক্ত মূল্যে আটা ও ধান মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ০৬.০১.২০২৩ তারিখে ভারত আটা এবং ০৬.০২.২০২৪ তারিখে ভারত রাইস প্রকল্পের সূচনা করা হয়েছে।

কালোবাজারি ও মজুতদারি রুখতে ভারত সরকার ব্যবসায়ী, পাইকার ও খুচরো বিক্রেতাদের গম মজুতের ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করেছে।

রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে একথা জানিয়েছেন উপভোক্তা, খাদ্য ও গণবন্টন প্রতিমন্ত্রী নিমুবেন জয়ন্তীভাই বাম্ভানিয়া।