ওয়েব ডেস্ক; ২৫ জুলাই : ভারতের ব্যবহৃত গাড়ির বাজারের ডিজিটালি, জনবিন্যাসের দিক থেকে এবং ভৌগোলিকভাবে বদল ঘটে চলেছে। স্পিনি প্রকাশ করেছে ২য় কোয়ার্টারের ২০২৫ ট্রেন্ড রিপোর্ট। এই রিপোর্ট থেকে সমস্ত চ্যানেল, ফর্ম্যাট ও অঞ্চলের বদলাতে থাকা ক্রয়ভঙ্গির তথ্যভিত্তিক, ক্রেতাকেন্দ্রিক আচরণের ছবি পাওয়া যাচ্ছে।
স্পিনির ২য় কোয়ার্টারের তথ্য অনুযায়ী, হ্যাচব্যাক গাড়িই ক্রেতাদের জোগানের সিংহভাগ (৫৫%), যার মধ্যে মারুতি সুজুকি ক্রেতাদের সবচেয়ে বেশি বিক্রি করা গাড়ির তালিকায় আধিপত্য করছে।
WagonR, Baleno আর Swift হল সবচেয়ে ঘন ঘন বিক্রি হওয়া মডেল। কলকাতার মোট গাড়ির জোগানের ৬২% হল হ্যাচব্যাক।
মজুত গাড়ির ২১% হল SUV। তার মধ্যে উপরদিকে আছে Ecosport, Creta আর Brezza। চেন্নাইতে SUV-র সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। শহরের মোট গাড়ির জোগানের ২৬% এই সেগমেন্টের।
মোট জোগানের ১৮% হল সেডান। তার মধ্যে প্রধান হল হন্ডা সিটি, হন্ডা অ্যামেজ আর সুইফট ডিজায়ার। অন্যদিকে চণ্ডীগড় শহরের মোট গাড়ির জোগানের ২২% হল সেডান।
২য় কোয়ার্টারে মহিলা ক্রেতা ছিলেন ২৬%। এই সংখ্যা ১ম কোয়ার্টারের (২৮%) চেয়ে সামান্য কম, কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে এই সংখ্যায় বড়সড় বৃদ্ধির সে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তার অঙ্গ। গত তিন বছরে এই প্ল্যাটফর্মে মহিলাদের ভাগ দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে গেছে। এর পিছনে আছে মহিলাদের ক্রমবর্ধমান স্বাধীনতা, ৬০% মহিলার হ্যাচব্যাক পছন্দ হওয়া এবং লিঙ্গ নিরপেক্ষ ফ্যাইন্যান্সিং বিকল্প।
চণ্ডীগড়ে মহিলা ক্রেতা ভারতে সবচেয়ে বেশি (৩০%)। দিল্লি এনসিআর, হায়দরাবাদ আর বেঙ্গালুরুতেও মহিলাদের জোরালো উপস্থিতি রয়েছে।
মহিলাকেন্দ্রিক পরিষেবার উপরে ফোকাস বজায় রাখায় H2-তে আরও গ্রহণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২য় কোয়ার্টারের ৭০% প্রথমবার গাড়ির মালিক হয়েছে। এই সংখ্যা ১ম কোয়ার্টারে ছিল ৭৪%। অর্থাৎ বারবার গাড়ি কেনার এবং গাড়ি আপগ্রেড করার মত ক্রেতা বেড়ে গেছে।
ক্রেতাদের গড় বয়স ৩২ বছর থেকে বেড়ে ৩৪ বছর হয়েছে। এ থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে আরও ভেবেচিন্তে, মূল্যের কথা ভেবে ক্রেতারা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং ব্যবহৃত গাড়ির প্রতি পক্ষপাত দেখা যাচ্ছে।
২য় কোয়ার্টারে ৮০% স্পিনি ক্রেতা গাড়ি কিনেছেন অনলাইনে। সংখ্যাটা ১ম কোয়ার্টারে ছিল ৭৭%। স্বচ্ছ দাম নির্ধারণ, গাড়ির যাচাই করা ইতিহাস এবং বাড়ির দরজায় গাড়ি পাওয়ার সুবিধার ফলে এই ডিজিটাল-ফার্স্ট কেনাকাটাই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যদিও হোম ডেলিভারি মাত্র ২০% কমেছে, হাবভিত্তিক পিক-আপ বেড়ে ৮০% হয়েছে। এর মধ্যে ৬০% স্পিনি পার্কসের মাধ্যমে হয়েছে। এ থেকে বোঝা যায় যে ক্রেতারা অনলাইন বুকিংয়ে বিশ্বাস করলেও, অনেকে এখনো হাবে গেলে গাড়িটা ছুঁয়ে দেখার যে অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় সেটাকে মূল্যবান মনে করেন। স্পিনি পার্কস এক প্রিমিয়াম, নতুন গাড়ি কেনার মত অভিজ্ঞতা জোগায়।
