ওয়েব ডেস্ক; ১১ আগস্ট: লোকসভায় সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায় জানতে চান, জলপাইগুড়ি জেলার জন্য স্বদেশ দর্শন ২.০ বা প্রসাদ প্রকল্পের অধীনে আধ্যাত্মিক ও চা-কেন্দ্রিক পর্যটনের প্রসারের লক্ষ্যে কোনো প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে কি না এবং যদি হয়ে থাকে তবে তার বিস্তারিত বিবরণ এবং লাটাগুড়ি, গরুমারা ও জেলার অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পরিকাঠামো ও পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার জন্য কি কি পদক্ষেপ করা হয়ছে। এই প্রশ্নের লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় পর্যটনমন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত জানান, পর্যটন কেন্দ্র ও পণ্যের উন্নয়ন এবং প্রসারের দায়িত্ব মূলত সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসনের।
তবে, পর্যটন মন্ত্রক তার ‘স্বদেশ দর্শন’, ‘স্বদেশ দর্শন ২.০’, এবং ‘পিলগ্রিমেজ রেজুভিনেশন অ্যান্ড স্পিরিচুয়াল, হেরিটেজ অগমেন্টেশন ড্রাইভ (প্রসাদ) এর মত প্রকল্পগুলির মাধ্যমে রাজ্য সরকার/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসনকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। এই সহায়তা প্রকল্পের নির্দেশিকা মেনে, বিশদ প্রকল্প প্রতিবেদন (ডিপিআর) জমা দেওয়া এবং অর্থের প্রাপ্যতার ভিত্তিতে দেওয়া হয়।
মন্ত্রী আরও জানান যে, ‘বিশেষ মূলধনী বিনিয়োগে রাজ্যগুলিকে সহায়তা (সাস্কি)’ উদ্যোগের আওতায় ভারত সরকার রাজ্যগুলিকে পর্যটন প্রকল্পগুলির উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে সরকারের তরফে।
শেখাওয়াত স্পষ্ট করেন যে, বর্তমানে জলপাইগুড়ি জেলার জন্য মন্ত্রকের বিবেচনার তালিকায় কোনো প্রকল্প নেই। তবে, পর্যটন মন্ত্রক তার চলমান প্রচারমূলক কার্যকলাপের অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য এবং পর্যটন পণ্য, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গও রয়েছে, তা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সামাজিক মাধ্যম, প্রচারমূলক ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে প্রচার করছে।
