ওয়েব ডেস্ক; ১৯ আগস্ট: কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ( সিপিসিবি) ২০০৯ সাল থেকে দেশে দূষিত নদী অংশ সমূহকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু করেছে। বিগত বছরগুলিতে সময়ে সময়ে নদীর জলের গুণগত মানের ভিত্তিতে এই চিহ্নিত করণের কাজ করা হয়েছে। ২০২০-র নভেম্বরে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের রিপোর্টে ৩০ টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ২৭৯ টি নদীর ৩১১ টি দূষিত অংশকে চিহ্নিত করার উল্লেখ করা হয়েছে।

নিয়মিত পর্যালোচনার ভিত্তিতে দেখা গেছে ২০১৮ সালে যেখানে ৩৫১ টি এই জাতীয় নদীর দূষিত অংশ বলে চিহ্নিত হয়েছিল, ২০২২-এ তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩১১ টিতে।

স্বচ্ছতার মান সুনিশ্চিত করতে এবং যথাযথ পরিসংখ্যান বজায় রাখতে বেশ কিছু ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। ভূগর্ভস্থ ও উপরিভাগের জলের গুণগতমানের পর্যালোচনা, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনে নিয়মিত ভিত্তিতে করা হয়ে থাকে। ন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড ফর টেস্টিং অ্যান্ড ক্যালিব্রেশন ল্যাবরেটরি (এনএবিএলএ)-র নির্ধারিত পরীক্ষাগারে জলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। রাজ্য পর্ষদ পরীক্ষাগারগুলি সিপিসিবি দ্বারা এই গুণগতমানের পরীক্ষার ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও জলের গুণগতমান সংক্রান্ত পরিসংখ্যান সিপিসিবি ওয়েবসাইট –এ তুলে ধরা হয়।

রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে একথা জানিয়েছেন জলশক্তি প্রতিমন্ত্রী রাজ ভূষণ চৌধুরী।