ওয়েব ডেস্ক; ১৯ আগস্ট: ২০১৬ সালে সরকার হাইড্রোকার্বন এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড লাইসেন্সিং পলিসি (এইচইএলপি) চালু করে। এই নীতির আওতায় ১৭২টি ব্লকের ৩,৭৮,৬৫২ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অনুসন্ধানের কাজের জন্য দরপত্র চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে ভারতে ৮টি লিক্যুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালের বার্ষিক ধারণ ক্ষমতা ৫২.৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলি এ পর্যন্ত ১৩টি এলএনজি স্টেশন চালু করেছে। অন্যদিকে, ১৬টি বেসরকারি এলএনজি স্টেশনও চালু রয়েছে।
শহরাঞ্চলে গ্যাস বন্টনের লক্ষ্যে পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস রেগুলেটরি বোর্ড ৩০৭টি ভৌগোলিক এলাকাকে চিহ্নিত করেছে। ৩১.০৫.২০২৫ তারিখ পর্যন্ত ১.৫০ কোটি বাড়িতে পিএনজি সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
জানুয়ারি ২০২৩-এ সরকার জাতীয় গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন-এর সূচনা করে। এর লক্ষ্য ছিল – ভারতকে আন্তর্জাতিক উৎপাদনের হাবে পরিণত করা। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে।
রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এই তথ্য দিয়েছেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রতিমন্ত্রী সুরেশ গোপী।
