ওয়েব ডেস্ক; ৭ অক্টোবর : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি আজ রেল মন্ত্রকের চারটি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। এজন্য খরচ হবে প্রায় ২৪ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা। প্রকল্পগুলি হল :
ক) ওয়ার্ধা-ভুসাওয়াল – তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন – ৩১৪ কিলোমিটার (মহারাষ্ট্র)
খ) গোন্ডিয়া-দোনারগড় – চতুর্থ লাইন – ৮৪ কিলোমিটার (মহারাষ্ট্র ও ছত্তিশগড়)
গ) ভাদোদরা-রতলাম – তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন – ২৫৯ কিলোমিটার (গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশ)
ঘ) ইটারসি–ভোপাল-বিনা – চতুর্থ লাইন – ২৩৭ কিলোমিটার (মধ্যপ্রদেশ)
এই চারটি প্রকল্প মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট এবং ছত্তিশগড়ের চারটি জেলা জুড়ে রূপায়িত হবে। এর ফলে ভারতীয় রেলপথের দৈর্ঘ্য আরও প্রায় ৮৯৪ কিলোমিটার বেড়ে যাবে।
এই মাল্টি-ট্যাকিং প্রকল্পগুলি ৩,৬৩৩টি গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করবে – উপকৃত হবেন ৮৫.৮৪ লক্ষ মানুষ। বিদিশা এবং রাজনন্দগাঁও – এই দুটি উন্নয়নকামী জেলার মানুষও উপকৃতদের তালিকায় থাকছেন।
এর ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য প্রসার ঘটবে। ভারতীয় রেল পরিষেবা আরও দক্ষ হয়ে উঠবে। প্রকল্পগুলি প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নতুন ভারত গড়ে তোলার স্বপ্নের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ওই অঞ্চলের সার্বিক বিকাশ সুনিশ্চিত করে ‘আত্মনির্ভর’ মন্ত্রের প্রতিফলন ঘটাবে এই উদ্যোগ। বাড়বে কর্মসংস্থান ও স্বনিযুক্তির পরিসর।
পিএম গতিশক্তি জাতীয় মহাপরিকল্পনার অগ্রাধিকার প্রাপ্ত বহুস্তরীয় সংযোগ ব্যবস্থা এবং লজিস্টিক্স সংক্রান্ত দক্ষতার প্রসারেও বিশেষ কার্যকর হয়ে উঠবে এই প্রকল্পগুলি। গতি আসবে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে।
এই প্রকল্পগুলি সাঁচি, সাতপুরা ব্যাঘ্র অভয়ারণ্য, ভিমবেটকার মতো পর্যটন স্থলগুলির যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করবে।
সংশ্লিষ্ট অঞ্চলটি কয়লা, সিমেন্ট, খাদ্যশস্য কিংবা ইস্পাতের মতো পণ্যের পরিবহনের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পগুলি রূপায়িত হলে ওই অঞ্চলে পণ্য পরিবহনের ক্ষমতা বার্ষিক ভিত্তিতে ৭৮ মিলিয়ন টন বেড়ে যাবে। পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা রেলের অন্যতম লক্ষ্য। তেল আমদানি হ্রাস এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর কাজও গতি পাবে এর ফলে।
