ওয়েব ডেস্ক; ৬ নভেম্বর : কর্মী, জনঅভিযোগ ও পেনশন মন্ত্রকের অধীন পেনশন ও পেনশনভোগী কল্যাণ দপ্তর ১ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ দেশজুড়ে ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট অভিযান ৪.০ আয়োজন করেছে। এই অভিযান সরকারের “ডিজিটাল এমপাওয়ারমেন্ট অফ পেনশনার্স” লক্ষ্যের অংশ। অভিযানে ‘স্যাচুরেশন অ্যাপ্রোচ’ নেওয়া হয়েছে। দেশের ২ হাজারেরও বেশি শহর ও শহরতলীর পেনশনভোগীদের জন্য ডিজিটাল মাধ্যমে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

২০২১এ শুরু হওয়া আধারভিত্তিক “ফেস অথেন্টিকেশন” প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে দপ্তর সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এতে পেনশনভোগীরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে বাড়িতে বসেই লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে পারেন। ডাক বিভাগের ভারত পোস্ট পেমেন্টস ব্যাংক প্রবীণ ও শারীরিকভাবে অক্ষম পেনশনভোগীদের জন্য এই সেবা বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে। ব্যাংক, পেনশনভোগী সংগঠন এবং স্থানীয় দপ্তরগুলিও সচেতনতা শিবির আয়োজন করছে ও সহায়তা প্রদান করছে।

গতবছর ডিএলসি ৩.০ চলাকালীন ১.৬২ কোটি সার্টিফিকেট তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যে ফেস অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে ৫০ লক্ষ সার্টিফিকেট প্রস্তুত করা হয়। চলতি ডিএলসি ৪.০ এ প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। ব্যাংক, আইপিপিবি, মৌলিক পরিচিতি কর্তৃপক্ষ, ইলেক্ট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক, সিজিডিএ, রেল এবং পেনশনভোগী কল্যাণ সংগঠনগুলির যৌথ প্রচেষ্টায় ২ কোটি সার্টিফিকেট তৈরির লক্ষ্য পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই অভিযানের অংশ হিসেবে ৬ নভেম্বর ২০২৫ এ উপসচিব সামিন আনসারি ও মৌলিক পরিচিতি কর্তৃপক্ষের কলকাতা বিভাগের সহকারী ম্যানেজার প্রসূন হোর বর্ধমানের ডিএলসি শিবির পরিদর্শন করেন। তাঁরা পেনশনভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ডিজিটাল সেবা নেওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন। ব্যাংক অফ বরোদা, ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, ভারত পোস্ট পেমেন্টস ব্যাংক (এইচপিও, বর্ধমান) এবং কেন্দ্রীয় সরকার পেনশনভোগী সমিতির বর্ধমান শাখার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পেনশনভোগীদের ফেস অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে লাইফ সার্টিফিকেট তৈরি করতে সহায়তা করেন। বর্ধমানের বিভিন্ন স্থানে শিবির আয়োজন করা হয়। স্থানীয় মানুষ উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন।