ওয়েব ডেস্ক; ১১ ডিসেম্বর : মূল বিষয়বস্তু
ভারতে ব্যাঙ্কিং কার্যকলাপ দৃষ্টান্তমূলকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে অভ্যন্তরীণ আমানত এবং ঋণ প্রায় তিনগুণ বেড়েছে – আমানত ৮৮.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২৩১.৯০ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; এবং ঋণ ৬৬.৯১ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৮১.৩৪ লক্ষ কোটি টাকায় ব্যপ্ত হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির মুনাফা লাভজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের নিট মুনাফা ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ১.৭৮ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিও বর্ধিত উপার্জন বজায় রেখেছে। তাদের নিট মুনাফা ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ২.৬৩ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ৪.০১ লক্ষ কোটি টাকায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

সূচনা

ভারতের ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্র গত আড়াই দশকে এটিএম থেকে ইউপিআই/ডিজিটাল মুদ্রা পর্যন্ত এক অসাধারণ পরিবর্তনের মাধ্যমে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল হয়েছে। শক্তিশালী পুঁজি, উন্নত সম্পদ গুণমান এবং সুস্থায়ী লাভের কারণে এই ক্ষেত্রটি এখন দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও বিনিয়োগের প্রয়োজন মেটাতে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত।

সংকট পেরিয়ে আত্মবিশ্বাস – ভারতীয় ব্যাঙ্কিং-এর নতুন চেহারা

২০০৯ সালের বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকটের পরে ভারত ‘টুইন ব্যালেন্সশীট’ সংকটে পড়ে। কিন্তু ‘সংকটকে কাজে লাগাও’ নীতি মেনে গত ১০ বছরে গভীর কাঠামোগত সংস্কার শুরু হয়। এই সংস্কারগুলি ভারতীয় ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে, যা সেই প্রতিকূলতাকে সুযোগে পরিণত করে ভারতকে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি অর্থনীতির মধ্যে নিয়ে এসেছে। ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ব্যাঙ্ক আমানত এবং অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। আমানত ৮৮.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২৩১.৯০ লক্ষ কোটি টাকায় এবং ঋণ ৬৬.৯১ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৮১.৩৪ লক্ষ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। মূলধনের মজুদ শক্তিশালী হয়েছে। মূলধনের পর্যাপ্ততা পরিমাপক ‘CRAR’ মার্চ ২০১৫-এর ১২.৯৪% থেকে বেড়ে মার্চ ২০২৫-এ ১৭.৩৬% হয়েছে। একই সময়ে, CET-1 অর্থাৎ, ব্যাঙ্কের সর্বোচ্চ মানের মূলধন ৯.৯৮% থেকে বেড়ে ১৪.৮১% হয়েছে। সম্পদের গুণমানও উন্নত হয়েছে। গ্রস নন-পারফর্মিং অ্যাসেটস এবং নেট নন-পারফর্মিং অ্যাসেটস মার্চ ২০১৮-এর সর্বোচ্চ ১১.১৮% এবং ৫.৯৪% থেকে কমে মার্চ ২০২৫-এ যথাক্রমে ২.২% এবং ০.৫% হয়েছে। ব্যাঙ্কগুলির লাভজনকতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষ এবং ২০২৪ – ২৫ অর্থবর্ষের মধ্যে সম্পদের উপর রিটার্ন -০.২২% থেকে বেড়ে ১.৩৭% হয়েছে। ইক্যুইটির উপর রিটার্ন – ২.৭৪% থেকে বেড়ে ১৪.০৯% হয়েছে।

এনপিএ কমে যাওয়া : সম্পদের গুণমানের উন্নতি

একটি সম্পদ যখন ব্যাঙ্কের জন্য আয় তৈরি করা বন্ধ করে দেয়, তখন সেটি অ-কার্যকরী সম্পদ হয়ে যায়, যা ব্যাঙ্কের লাভজনকতা কমায় এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে। ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তালিকপ্রাপ্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির মোট ঋণ ৬১.০১ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছায়। এই সময়ে আগ্রাসী ঋণদান, জালিয়াতি এবং অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ‘স্ট্রেসড অ্যাসেট’ অর্থাৎ সমস্যাযুক্ত সম্পদ বৃদ্ধি পায়। ২০১৫ সালে শুরু হওয়া ‘অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ’ এর ফলে ব্যাঙ্কগুলি স্বচ্ছভাবে এনপিএ চিহ্নিত করে। এর ফলে গ্রস এনপিএ অনুপাত বাড়তে শুরু করে এবং মার্চ ২০১৮-এ তা সর্বোচ্চ ১১.৪৬%-এ পৌঁছায় (পরিমাণ: ৯,৬২,৬২১ কোটি টাকা)। সরকারের ‘স্বীকৃতি, সমাধান, পুনর্পুজিকরণ এবং সংস্কার’ কৌশলের ফলে, মোট এনপিএ (জিএনপিএ) অনুপাত কমে ২০২৫ সালের মার্চে ২.৭৯% হয়েছে। এছাড়া, তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির ‘স্ট্রেসড অ্যাসেট’-এর হারও ২০১৪ সালের ৯.৮% থেকে কমে ২০২৫ সালের মার্চে ৩.৫৫% হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষ থেকে জিএনপিএ অনুপাত ধারাবাহিকভাবে কমে ২০২৫ সালের মার্চ শেষে ২.৩১%-এ পৌঁছেছে, যা গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ভারতের শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক ভিত্তি হল এর কারণ। একইভাবে, এনএনপিএ অনুপাতও হ্রাস পেয়ে রেকর্ড সর্বনিম্ন ০.৫২%-এ নেমে এসেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির জিএনপিএ ও মার্চ ২০২১-এর ৯.১১% থেকে কমে ২০২৫ সালের মার্চে ২.৫৮% হয়েছে, যা সম্পদ গুণমান এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় ধারাবাহিক উন্নতির ইঙ্গিত দেয়। সামগ্রিকভাবে, লাভজনক সূচক এবং মূলধনের পর্যাপ্ততা শক্তিশালী থাকায় ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রয়েছে।
ব্যাঙ্কগুলির মুনাফা বৃদ্ধি
শক্তিশালী অর্থনীতি, আয় বৃদ্ধি এবং ইউপিআই-এর মতো ডিজিটাল পেমেন্টের কারণে ভারতীয় ব্যাঙ্কিং শিল্প দারুণভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ক্ষেত্রটি পর্যাপ্ত পুঁজি ও সু-নিয়ন্ত্রিত। উল্লেখযোগ্যভাবে, ব্যাঙ্কগুলির লাভজনকতা ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে নিয়ে ষষ্ঠ বছরের জন্য বেড়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কসমূহ
২০২২-২৩ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির মোট ব্যবসা ২০৩ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২৫২ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে।
নিট মুনাফা ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১.৭৮ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে।
লভ্যাংশ প্রদান ২০,৯৬৪ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৩৪,৯৯০ কোটি টাকা হয়েছে, যা আর্থিক কর্মক্ষমতার ধারাবাহিক শক্তিকে প্রতিফলিত করে।

তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কসমূহ

২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি তাদের সর্বকালের সর্বোচ্চ মোট নিট মুনাফা ৪.০১ লক্ষ কোটি টাকা নথিভুক্ত করেছে, যা ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের ৩.৫ লক্ষ কোটি টাকার তুলনায় বেশি। এই বৃদ্ধির গতিপথ অব্যাহত রয়েছে, কারণ ২০২৬ অর্থবর্ষের প্রথম ৩ মাসে এসসিবি গুলি মোট ১.০২ লক্ষ কোটি টাকার নিট মুনাফা রেকর্ড করেছে। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায়, ২০২৫ অর্থবর্ষে এসসিবি গুলির লাভজনকতা আরও উন্নত হয়েছে। কর পরবর্তী মুনাফা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ১৪.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। লাভের ক্ষেত্রে এই অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে, যেখানে সম্পদের উপর রিটার্ন ১.৩৭% এবং ইক্যুইটির উপর রিটার্ন ১৪.১%।
ব্যাঙ্কগুলির মূলধনের অবস্থান সন্তোষজনক রয়েছে। তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির লিভারেজ অনুপাত ৭.৯% এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির ঝুঁকি-ভিত্তিক সম্পদের মূলধন ১৬.৪%। এছাড়া, ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক সংস্থাগুলি শক্তিশালী ঋণ বিস্তার করেছে এবং তাদের ব্যালেন্স শিট, ঋণের গুণমান ও লাভজনকতাও সন্তোষজনক মূলধনের মজুদ-সহ উন্নত হয়েছে।
ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলির উন্নত প্রদর্শনের চালিকাশক্তি
এক দশক আগে শুরু হওয়া সরকারের ব্যাপক উদ্যোগ (যেমন, সংকট চিহ্নিতকরণ, সম্পদ সমাধান, পুনর্পুজিকরণ) এবং নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপগুলি ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রটির আর্থিক স্বাস্থ্য ও স্থিতিস্থাপকতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করেছে।
সম্পদের গুণমান পর্যালোচনা ও ৪R কৌশল (২০১৫): AQR ব্যাঙ্কগুলিকে লুকানো এনপিএ প্রকাশ করতে বাধ্য করে। সরকার স্বচ্ছভাবে এনপিএ চিহ্নিতকরণ, সমাধান পুনঃপুঁজিকরণ এবং সংস্কারসহ একটি ৪R কৌশল কার্যকর করে।
PCA এবং একত্রীকরণ: ‘প্রম্পট কারেকটিভ অ্যাকশন’ (PCA) দুর্বল ব্যাঙ্কগুলির স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করে এবং ২০১৭-২০২০ সালের মধ্যে ২৭-টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককে (PSBs) ১২-টিতে একত্রীকরণ করা হয়।

ইনসলভেন্সি অ্যান্ড ব্যাঙ্ক্রাপসি কোড (IBC, ২০১৬):

এটি ঋণ সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনে। খেলাপি সংস্থার নিয়ন্ত্রণ মালিকদের হাত থেকে নিয়ে নেয় এবং ইচ্ছাকৃত ঝণখেলাপিদের সমাধান প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া নিষিদ্ধ করে।
শক্তিশালী পুনরুদ্ধার আইন: SARFAESI অ্যাক্ট এবং অন্যান্য আইন সংশোধন করে সম্পদ পুনরুদ্ধারের কার্যকারিতা বাড়ানো হয়েছে।
ফোকাসড ঋণ সমাধান: ডেট রিকভারি ট্রাইব্যুনাল (DRT)-এর আর্থিক এখতিয়ার ১০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লক্ষ টাকা করা হয়, যাতে উচ্চ-হারের কেসগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া যায়।
বিশেষায়িত পুনরুদ্ধার ব্যবস্থা: PSBs দ্রুত NPA সমাধানের জন্য বিশেষ ইউনিট তৈরি করেছে এবং ব্যবসায়িক কৌশল হিসাবে সরাসরি গ্রাহকের সাথে যোগাযোগের জন্য ‘ফিট-অন-স্ট্রিট’ মডেল ব্যবহার করেছে।
ECL ফ্রেমওয়ার্ক (অক্টোবর ২০২৫): RBI ‘এক্সপেক্টেড ক্রেডিট লস (ECL)’ ফ্রেমওয়ার্ক প্রবর্তনের প্রস্তাব করেছে। এটি ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীল এবং বিশ্বব্যাপী অ্যাকাউন্টিং মানগুলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করবে।
প্রো-অ্যাকটিভ স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: RBI-এর নতুন প্রুডেন্সিয়াল ফ্রেমওয়ার্ক দ্রুত সমস্যাযুক্ত ঋণ চিহ্নিতকরণ এবং সময়সীমার মধ্যে সমাধানের জন্য ঋণদাতাদের উৎসাহিত করে।
ভারতীয় ব্যাঙ্কিং পরিমণ্ডলে পরিবর্তিত অগ্রাধিকার
শক্তিশালী আর্থিক কর্মক্ষমতার ভিত্তিতে, ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলি এখন উদ্ভাবন, অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং কৌশলগত প্রসারের মাধ্যমে বৃদ্ধি বজায় রাখার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। এই অগ্রাধিকারগুলি ব্যাঙ্কিং বাস্তুতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যগুলিকে সমর্থন করার পথ প্রশস্ত করবে।
শাখা নেটওয়ার্ক এবং আধা-শহুরে ও গ্রামীণ এলাকায় পৌঁছানোর মাধ্যমে আমানত সংগ্রহ বাড়িয়ে শক্তিশালী ঋণ বৃদ্ধি বজায় রাখা।
আগামী দশকে নতুন বাণিজ্যিক বৃদ্ধির ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করে মুনাফা বাড়ানো।

উৎপাদনশীল ক্ষেত্রে দৃঢ় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বজায় রেখে কর্পোরেট ঋণদান গভীর করা।
পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে ঋণদান বাড়িয়ে হরিৎ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা। বাজেট ২০২৫-২৬-এ ঘোষিত SMR এর মতো নতুন উদ্যোগগুলির জন্য বিশেষ ঋণ মডেল তৈরি করা।
পিএম মুদ্ৰা যোজনা, পিএম বিশ্বকর্মা, পিএম সূর্য ঘর মুক্ত বিজলি যোজনা ইত্যাদির মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ বৃদ্ধি।
পিএম ধনধান্য যোজনার অধীনে ১০০-টি কম উৎপাদনশীল জেলায় কৃষি ঋণ বাড়িয়ে খামার উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
GIFT সিটি এবং IIBX (India International Bullion Exchange)-এর কর্মপন্থা শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক উপস্থিতি সম্প্রসারিত করা। দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি, ব্যবহারকারী-বান্ধব বহুভাষিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং শহুরে কেন্দ্রে প্রবেশযোগ্য শাখাগুলির মাধ্যমে গ্রাহক পরিষেবা উন্নত করা।

উপসংহার

ভারতের ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্র এখন সংকট পেরিয়ে শক্তি ও স্থিতিশীলতার যুগে প্রবেশ করেছে। পরিচ্ছন্ন ব্যালেন্স শীট, মজবুত পুঁজি এবং রেকর্ড লাভের ফলে ব্যাঙ্কগুলি এখন আরও স্থিতিশীল এবং ভবিষ্যৎ-এর জন্য প্রস্তুত। সংস্কার, ডিজিটাল উদ্ভাবন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণের মাধ্যমে এই ক্ষেত্রটি পরিকাঠামোয় অর্থায়ন করে, উদ্যোগপতিদের সহায়তা করে এবং ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চালনা করছে। বিশ্ব অর্থনীতির তৃতীয় বৃহত্তম শক্তি হওয়ার পথে, ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে দেশের পরবর্তী দশকের প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।