ওয়েব ডেস্ক; ১৯ মার্চ: বৈশ্বিক বিমান চলাচলে ভারত এখন তৃতীয় বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল ক্ষেত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। উড়ান প্রকল্পে বিমান যাত্রা সহজ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলা হয়েছে। ভারতীয় বিমানবন্দরগুলি প্রতিদিন ৫ লক্ষ যাত্রী পরিবহণে সক্ষম।
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য বিধান অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্যেই যাত্রী-বান্ধব একাধিক উদ্যোগ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে। যেমন যাত্রী চলাচলে স্বাচ্ছন্দ্য বিধানের লক্ষ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে খাবারের জন্য উড়ান যাত্রী কাফে, বিমানবন্দরগুলিতে ওয়াইফাই সুবিধা প্রভৃতি রয়েছে। এছাড়াও, সমস্ত বিমান সংস্থা ক্ষেত্রগুলি জুড়েই যাত্রী সুবিধার দিকে নজর রেখে একটি সমতা ও স্বাচ্ছন্দ্য বিধান করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে অসামরিক বিমান মহানির্দেশকের পক্ষ থেকে উল্লেখযোগ্য যে সমস্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা হ’ল – কম করে ৬০ শতাংশ যাত্রীদের পছন্দের আসনে কোনও চার্জ ধরা হবে না। এছাড়া, একই পিএনআর – এ যাত্রীরা পাশাপাশি বসতে পারেন, বিশেষ করে সংলগ্ন আসনগুলিতে। বিভিন্ন খেলার সরঞ্জাম, বাদ্য সরঞ্জাম সহজে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা। এছাড়াও, পোষ্যদের নিয়ে যাওয়ার সুবন্দোবস্ত রয়েছে। যাত্রীদের কী কী অধিকার তা পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে এবং তা পুরোপুরি মেনেও চলা হয়। উড়ান বাতিল বা দেরী অথবা বোর্ডিং বাতিল হলে কী করণীয় তার উল্লেখ রয়েছে। সমস্ত আঞ্চলিক ভাষাতে যাত্রী সুবিধার্থে এর উল্লেখ রয়েছে।
অসামরিক পরিবহণ মন্ত্রক যাত্রীদের অভিযোগ নিরসন এবং উচ্চমান বজায় রাখার পাশাপাশি বিমান চলাচল পরিমণ্ডল সুরক্ষিত রাখার ব্যাপারে সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ।