ওয়েব ডেস্ক; ১৬ জুলাই : অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে সেমি-কন্ডাক্টর ক্ষেত্রটি ক্রমে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ভারতের কাছে তা এক বড় সুযোগ। সেমি-কন্ডাক্টর ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন কৌশলগত দিক থেকেও দেশের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সেমিকন ইন্ডিয়া প্রোগ্রাম ২.০-এর মাধ্যমে সরকার এক্ষেত্রে শক্তিশালী সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে চায়। এজন্য শিল্প মহলকে যাবতীয় সহায়তা দিতে সরকার প্রস্তুত। বৈদ্যুতিন বিষয়ক জাতীয় নীতি, এসপিইসিএস, ইএমসি ২.০, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে উৎপাদন সংযুক্ত উৎসাহদান প্রকল্প চালু করা সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন।

বিগত ১১ বছরে দেশে বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম উৎপাদন ৭ গুণ বেড়েছে, রপ্তানি বেড়েছে ১১ গুণ। মোবাইল ফোন উৎপাদন ৩২ গুণ এবং রপ্তানি ১৬৫ গুণ বেড়েছে।

৬টি রাজ্যে ১২টি সেমি কন্ডাক্টর প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এক্ষেত্রে মেক ইন ইন্ডিয়া এবং আত্মনির্ভর ভারতের ধারণাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

বৈদ্যুতিন ক্ষেত্র দ্রুত প্রসারিত হওয়ায় কাজ পেয়েছেন প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষ। এই কর্মীদলের ৩০ শতাংশ মহিলা।

মোবাইল ফোন উৎপাদন ক্ষেত্রে প্রায় ১২ লক্ষ মানুষ কাজ পেয়েছেন। এক্ষেত্রে প্রত্যক্ষভাবে নিযুক্ত মহিলা কর্মীদের অনুপাত ৭০ শতাংশ।

২০২১-এর ডিসেম্বরে ৭৬,০০০ কোটি টাকার সেমিকন ইন্ডিয়া কর্মসূচিতে অনুমোদন দেয় সরকার। ইন্ডিয়া সেমি-কন্ডাক্টর মিশনের মাধ্যমে কাজে এগোয় দ্রুত গতিতে। সেমিকন ইন্ডিয়া কর্মসূচি ২.০-এর মাধ্যমে এই কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

এই ক্ষেত্রের প্রসারের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সিঙ্গাপুর, নেদারল্যান্ডলস কিংবা জার্মানির মতো দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিকশিত ভারত উদ্যোগের দিক থেকেও এই বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।