ওয়েব ডেস্ক; ২৬ জুলাই : অবিরাম বৃষ্টিপাত, ভয়াবহ বন্যা এবং অত্যন্ত প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও ২২ জুলাই মধ্যরাত থেকে ১১টি উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে দমন, দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দক্ষিণ গুজরাটের বন্যাদুর্গত এলাকায় আটকে পড়া ১৭০ জন ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।

২২ ও ২৩ জুলাইয়ের মধ্যরাতে সিলভাসার খানভেলে আটকে পড়া পাঁচ ব্যক্তিকে উদ্ধারের মধ্য দিয়ে এই অভিযান শুরু হয়; এরপর কাদাইয়া উপকূলীয় এলাকায় নদীর তীরে আটকে পড়া তিন জেলেকে সরিয়ে আনা হয়। অন্যতম বৃহত্তম এক উদ্ধার অভিযানে, ২৩ ও ২৪ জুলাইয়ের মধ্যরাতে বন্যাদুর্গত ‘ওয়েলস্পান’ শিল্পাঞ্চল থেকে ৬০ জন আটকে পড়া ব্যক্তিকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়; ওই এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।

পরবর্তী উদ্ধারকাজগুলির মধ্যে ছিল, ‘অ্যারো ফাইবার প্রাইভেট লিমিটেড’-এর কাছে বন্যায় আটকে পড়া একটি বাস থেকে সাতজনকে উদ্ধার, ডোংরি থেকে দশজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া, ভালসাদ-পারদি এলাকা থেকে আটকে পড়া চারজনকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার এবং রাতভর ‘রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ’ এলাকা থেকে আটজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধার অভিযানে, কোস্ট গার্ড ‘অবধ সোসাইটি’ এলাকা থেকে নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারী ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত আরেক নারী সহ মোট দশজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে আসে এবং তাঁদের সময়মতো চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। এছাড়া ২৪ জুলাই, নবসারি জেলার মেন্ডার গ্রাম থেকে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের দুটি হেলিকপ্টার আটকে পড়া ৩৩ জনকে সফলভাবে আকাশপথে উদ্ধার করে।

অবিরাম বৃষ্টিপাত, তীব্র স্রোত এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও উপকূল রক্ষী বাহিনীর কর্মীরা একটানা উদ্ধারকাজ চালিয়ে গেছেন।