শুভাবরি ওয়েব ডেস্ক, ২৪ সেপ্টেম্বর, কলকাতা:
“এই মুহূর্তে অন্যান্য কর্মক্ষেত্রের মতো জ্যোতিষ ক্ষেত্রেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ শুরু হয়েছে। অনেকে ভাবছেন জ্যোতিষ ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ শুরু হলে জ্যোতিষীদের কর্মক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়বে। এর বিপরীতে আমার বক্তব্য ছিল পুরোপুরি আলাদা।” গত ৭ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর কলম্বোয় আয়োজিত ‘দ্য স্যাকরেড অ্যাস্ট্রোলজিক্যাল সিম্ফোসিয়াম ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ডঃ নীলাদ্রিনারায়ণ বসু এভাবেই তার মূল্যবান বক্তব্য শুরু করেন।

AI নির্ভর পরিবর্তনশীল বিশ্বে জ্যোতিষীদের ভূমিকার উপর বিশেষ আলোকপাত করার জন্য ‘দ্য স্যাকরেড অ্যাস্ট্রোলজিক্যাল সিম্ফোসিয়াম ২০২৬’ এর অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন বাঙালী হস্তরেখাবিদ ডঃ নীলাদ্রিনারায়ণ বসু।

৯ সেপ্টেম্বর’২৬ সিম্ফোসিয়ামের আয়োজক সংস্থা বাঙালী হস্তরেখাবিদ তথা ‘আই ভি এ এফ’-এর কলকাতা চ্যাপ্টার-এর অধ্যক্ষ ডঃ নীলাদ্রিনারায়ণ বসুকে ‘ইন্দো-শ্রীলঙ্কা লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ সম্মানিত করে।

সম্প্রতি হাওড়ার সালকিয়ায় নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সামনে সুখস্মৃতি রোমন্থন করতে করতে ডঃ বসু জানান, অনুষ্ঠান মঞ্চে আমি বলেছিলাম, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শুধুমাত্র জ্যোতিষীদের প্রতিদ্বন্দ্বী বা শত্রু হিসেবে দেখার পরিবর্তে প্রযুক্তিকে বোঝা এবং দায়িত্বশীল ভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন। তবে প্রযুক্তির পাশাপাশি আমাদের মানবিক বিচারবোধ, অভিজ্ঞতা, প্রেক্ষাপট, নৈতিক দায়বদ্ধতা এবং ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানকেই পেশাগত জ্যোতিষচর্চার মূল ভিত্তি রূপে চিহ্নিত করতে হবে।”

এই হস্তরেখাবিদের দাবি শ্রীলঙ্কার কলম্বোর চিন্নামন বে বিচ রিসর্টে আয়োজিত ‘দ্য স্যাকরেড অ্যাস্ট্রোলজিক্যাল সিম্ফোসিয়াম ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশ্বের ২০টি দেশের আমন্ত্রিত জ্যোতিষীগণ উপস্থিত ছিলেন, এবং ভারতবর্ষ থেকে মোট ৯ জন ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *