ওয়েব ডেস্ক; ২৫ সেপ্টেম্বর : সীমান্তপারের সোনা চোরাচালানের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান অব্যাহত রেখে, ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী বিএসএফ-এর সহযোগিতায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পাচার হওয়া বিদেশি সোনার একাধিক চোরা চালান রুখে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে ধারাবাহিক অভিযানে, সীমান্তের বিভিন্ন স্থান এবং একজন ট্রেনযাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ১২ কেজি বিদেশি সোনা উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সব মিলিয়ে যার দাম প্রায় ১৭ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে দেশে গোপনে সোনা পাচারের জন্য বাংলাদেশ রুটের ব্যবহার প্রকাশ পেয়েছে।
২০-২১.০৯.২৬ তারিখে, পশ্চিমবঙ্গের গোংড়া সীমান্ত চৌকি এলাকায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সড়কের কাছ থেকে ১৬১ ব্যাটালিয়নের বিএসএফ কর্মীরা প্রায় ৩.১৫ কেজি ওজনের ২৭টি দাবিহীন চোরাচালান করা বিদেশি সোনা উদ্ধার করে। তার পরে, ডিআরআই মামলাটি তাদের হাতে নিয়ে ১৯৬২ সালের কাস্টমস আইনের বিধান অনুযায়ী সোনাগুলি বাজেয়াপ্ত করে।
২১ সেপ্টেম্বর আরেকটি অভিযানে, ১৬১ ব্যাটালিয়নের বিএসএফ কর্মীরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের সামনে, হাতখোলা গ্রামের একটি হ্যান্ডপাম্পের কাছে লুকানো প্রায় ১.১৬ কেজি ওজনের ১০টি ২৪ ক্যারেটের বিদেশি চোরাচালান সোনা উদ্ধার করে। তার পরেই, ডিআরআই উদ্ধারকৃত সোনা বাজেয়াপ্ত করে, যা কাস্টমস আইন, ১৯৬২-এর ১১০ ধারার বিধান অনুযায়ী বাজেয়াপ্ত করা হয়। এর আগে, ১০-১১ সেপ্টেম্বর, সীমান্ত চৌকি পাথারগাতা এলাকায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বেড়ার কাছে বিএসএফ জওয়ানরা প্রায় ৫.৯ কেজি ওজনের ৪৮টি সোনার বার উদ্ধার করে, সেগুলিও ডিআরআই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে বাজেয়াপ্ত করে।
পাটনায়, ডিআরআই কর্মকর্তারা এক ট্রেনযাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ১.৭১ কেজি ওজনের ১৫টি সোনার বার এবং বিদেশি সোনার ৪টি ছোট কাটা টুকরো উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করেছেন। সোনাগুলি তার দুই পায়ে জড়ানো কাপড়ের নি-ক্যাপের ভেতরে লুকানো ছিল। তদন্তে জানা গেছে, সোনাগুলি বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয়েছিল। ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই অভিযানগুলি বাংলাদেশ রুট ব্যবহার করে বিদেশি সোনার চোরাচালান, পরিবহন এবং বিতরণে জড়িত নেটওয়ার্কগুলিকে ভেঙে দেওয়ার জন্য বিএসএফ-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে ডিআরআই-এর নিরবচ্ছিন্ন প্রয়াসের প্রমাণ।
