পশ্চিমবঙ্গ কলেজ সার্ভিস কমিশন ২০১৮র মেধা ও যোগ্যতা সম্পন্ন তালিকাভুক্ত প্রার্থীরা আজ চরম বঞ্চনার শিকার। এমনটাই অভিযোগ তোলেন খোদ প্রার্থীরা। আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে তারা অভিযোগ তোলেন, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার শিক্ষকের শূন্য পদ রয়েছে কিন্তু লক্ষ লক্ষ যোগ্য মেধাবী প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও তাদের নিয়োগ করা হচ্ছে না। ফলে তারা বেকারত্বের যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছে। ২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের কলেজ গুলি ইউজিসির নিয়ম মেনে সি বি সি এস পদ্ধতিতে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল। কিন্তু তা এখনো পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। তাদের অভিযোগ, রাজ্য সরকার ইউজিসি এর নিয়ম না মেনেই রাজ্যের কলেজগুলিতে কোন রকম যোগ্যতার পরীক্ষা না নিয়ে কয়েক হাজার স্টেট এডেড কলেজে টিচার নিয়োগ করেছে। তারা আরও বলেন, করোনার জন্য কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় অফিস দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার ফলে কিছু বিষয়ে মেধাতালিকার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে, আবার কিছু বিষয়ের মেয়াদ বৃদ্ধি হয়নি। আরও অভিযোগ ওঠে, ২০১৮ সালের কলেজ সার্ভিস কমিশন এর পরীক্ষায় প্লান্ট প্রটেকশন বিষয়ে এখনো পর্যন্ত ইন্টারভিউ হয়নি এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিস্ট্রি, মলিকিউলার বায়োলজি বায়োটেকনোলজি এবং ওমেন্স স্টাডিজ বিষয়গুলোর মেধাতালিকা এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। প্রার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, পুরনো নিয়োগ না করেই সরকার নতুন নিয়োগের দিকে ঝুঁকছে। মেধা তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের দাবি, কলেজ সার্ভিস কমিশন এবং রাজ্য সরকার প্যানেলভুক্ত প্রার্থীদের নিয়োগ নিয়ে উদ্যোগী হোক সরকার । আজ সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশীষ কুমার দাস, বিশ্বজিৎ মিত্র প্রমুখ। প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন হিমাদ্রি মন্ডল, বিনয় কৃষ্ণ পাল, সুতপা বোস, আত্রেও মন্ডল, লাল মোহাম্মদ শেখ, সৌরভ মুখার্জি এবং আরো অনেকে।
