বাড়িতে বসে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রেও এবার থেকে থাকবেন একজন মাইক্রো অবজারভার, এমনটাই জানা যাচ্ছে কমিশন সূত্রে। নির্বাচন কমিশন এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ ভোটারকে তিনটি ভাগে ভাগ করেছে।
৮০ বছরের ঊর্ধ্বে ভোটার, করোনায় আক্রান্ত, যাদের ডাক্তারের সংশ্লিষ্ট সার্টিফিকেট রয়েছে এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটার যাদের বেঞ্চমার্ক সার্টিফিকেট রয়েছে।
নোটিফিকেশনের পর পরই তাদের কাছে ১২ডি ফর্মের প্রাপ্তি স্বীকার করার পর নির্দিষ্ট সময়ে যখন তারা ভোট দেবেন ঠিক সেই সময়ই তাদের বাড়িতে ভোট নিতে যাবেন নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেই পোলিং অফিসাররা।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আপাতত ঠিক হয়েছে ১২ জনের একটি টিম সেখানে ভোট নিতে যাবেন। এই টিমে থাকবেন দুজন পোলিং অফিসার (তার মধ্যে একজন সিনিয়র অফিসার), এক জন মাইক্রো অবজারভার (তাকে হতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী), ভিডিওগ্রাফার, সাথে থাকবেন কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে, বাড়িতে অস্থায়ী বুথ তৈরি করা হবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন এবার ঠিক করেছে যে সমস্ত করোনা আক্রান্ত ভোটার হাসপাতালে রয়েছেন তাদের জন্য হাসপাতালে বসেই করা হবে ভোট দানের ব্যবস্থা, সেক্ষেত্রে হাসপাতালের সুপারের সার্টিফিকেট লাগবে করোনা রোগীদের ভোট দানের ক্ষেত্রে।

উল্লেখ্য, এবারের এই প্রয়াস নির্বাচন কমিশনে প্রথম। তাছাড়া, নির্বাচন কমিশন যে প্রত্যেক ভোটারকে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করছে তা এই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভালো ভাবেই বোঝা যাচ্ছে।