মতুয়া সম্প্রদায়ের পর এবার বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মানুষ বিক্ষোভ এর পথে আসল।
সারা ভারত বৈষ্ণব সমাজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে তাদের সংগঠনের সহ সভাপতি ক্ষীরদানন্দ গোস্বামী, সভাপতি স্বপন বিশ্বাস, উত্তর দিনাজপুরের সভাপতি জীবন চন্দ্র বর্ধন এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, সর্বত্র আজ হিংসার ছায়া। দীর্ঘ ৩৪ বছর বাম শাসনে সাধু-গুরু- বৈষ্ণব মতের কোন গুরুত্ব ছিলনা। ২০১১ সালে পরিবর্তনে আসার পর তারা ভেবেছিল, এবার হয়তো সনাতনী সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে, যোগ্য সম্মান পাবে। কিন্তু এবারে হিন্দু পূজা-অর্চনাতে বাঁধা দিচ্ছে রাজ্য। রাম নামের সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়া হল রাজনীতি।
তারা ভারতীয় জনতা পার্টির উপরে ভরসা করেছিলেন এবং এই ভরসাতে ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেনে ছুটে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বৈষ্ণব সমাজ। তারা দাবি করেছেন প্রায় এক লক্ষ হ্যান্ডবিল বিলি করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রান্তিক অঞ্চলে। তারা আরও দাবি করেছেন, ২০১৯ সালে যে ১৮ টি আসনে বিজেপি জিতেছিল, তাতে তাদের সমর্থন ছিল।
তারা আক্ষেপ করে বলেন, বৈষ্ণব সমাজ এবং সনাতন সম্প্রদায় পরবর্তীকালে বিজেপি কর্মীদের কাছে নেতাদের কাছে ব্রাত্য হয়ে ওঠে। যে সমস্ত দুর্নীতিগ্রস্ত নেতারা তৃণমূলে ছিলেন তারা বিজেপিতে যোগদান করে নতুন করে ইতিহাস তৈরী করার চেষ্টা করতে থাকে।
তাই এই বৈষ্ণব সমাজ বাধ্য হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা আক্ষেপ করে বলেন যে ২৯৪ টি আসনে প্রার্থী দেবার পক্ষে ছিলেন, কিন্তু অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে। তবুও তারা চেষ্টা করছেন যাতে আগামী নির্বাচনে ৪৪ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ নেতা বলেন, বৈষ্ণব সমাজের মানুষ এবার নির্বাচনে তাদের মত দেবেন সনাতন ধর্মের প্রতি। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিদ্বন্দিতা করবেন।
