গুরু কাশি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষিক্ষেত্রে দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দুটি স্বীকৃতি লাভ করেছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচার রিসার্চ এবং কৃষিতে বিএসসি অনার্স কোর্সের জন্য পাঞ্জাব স্টেট কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল এডুকেশনের অনুমোদন লাভ করেছে। আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানান সহ উপাচার্য ড. জে এস ধিমান এবং বিশ্ববিদ্যালয় দিরেক্টর ড. অশ্বিনী শেঠি।
ড ধীমান বলেন উন্নতমানের পরিকাঠামো দক্ষ ও অভিজ্ঞ ফ্যাকাল্টি উন্নত গবেষণাগার এবং কোর্সের শেষে প্লেসমেন্টের নিশ্চয়তা আমরা দিয়ে থাকি। কোর্স শেষ করার পর বহু ছাত্র-ছাত্রী আজ বিভিন্ন জায়গায় প্লেসমেন্ট পেয়েছেন। কৃষি ছাড়াও অন্যান্য ফ্যাকাল্টি গুলিতে শুধুমাত্র পাঞ্জাব নয় অন্যান্য রাজ্যে ও বিদেশ থেকেও বহু ছাত্র-ছাত্রী এখানে পড়তে আসেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন গুরু কাশি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যারা আই সি এ আর এবং রাজ্য সরকারের অনুমোদন লাভ করেছে।
অশ্বিনী শেঠি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আমরা বিশেষ সুযোগ-সুবিধা রেখেছি। এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনার বিশেষ ব্যবস্থার জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড এর সুবিধা ছাত্রছাত্রীরা নিতে পারবেন। প্রায় সমস্ত রকমই কোর্স আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে।
তিনি আরো বলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সব মিলিয়ে আমরা ১০ কোটি টাকার স্কলার্শিপ এর ব্যবস্থা করেছি।
অর্থের জন্য যাতে কোনোভাবেই কোনো মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা বন্ধ না হয় সেজন্য গুরু কাশি বিশ্ববিদ্যালয় তা শপথ নেন। এই বিশ্ববিদ্যালয় মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে সর্বদা রয়েছে একথাও তারা জানান এই সাংবাদিক সম্মেলনে।
কলকাতায় খুব তাড়াতাড়ি তাদের অফিস খোলা হবে বলে জানান তারা। সেখানে এসে ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের নিজেদের সমস্ত রকম প্রশ্নের উত্তর পাবেন এবং ভর্তির জন্য নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন।
