গত ১২ সেপ্টেম্বর গোয়েন্দা বিভাগের তথ্যের ভিত্তিতে, কিছু চোরাচালানকারী দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অন্তর্গত ১৪১ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি মধুগিরির চেচনিয়া গ্রামে দেশীয় তৈরি পিস্তল নিয়ে এসেছে। এই পিস্তলগুলি গ্রামের বাইরে কলা বাগানেএবং আশেপাশের এলাকায় লুকিয়ে রেখেছে। তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মধুগিরি সীমান্ত চৌকির জওয়ানরা এলাকাটি ঘিরে ফেলে তদন্ত শুরু করে। পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধানের সময় বাঁশের ঝোপের মধ্যে একটি কালো রঙের ব্যাগ পাওয়া যায়। ব্যাগটি খোলার পর তার থেকে দুটি দেশীয় পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছে বিএসএফ -এর সীমান্ত চৌকি মেঘনা এলাকায়, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছিল যে, কিছু চোরাচালানকারী মাদক সম্পর্কিত পণ্য পাচারের চেষ্টা করছে। তৎক্ষণাৎ মেঘনার জওয়ানদের সতর্ক করা হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয় এবং অ্যামবুশ স্থাপন করা হয়। সন্ধ্যা সোয়া ০৫ টার দিকে, জওয়ানরা ৮ থেকে ৯ জন চোরাচালানীদের ঝোপের মধ্যে সীমান্তের দিকে যেতে দেখে, সাথে সাথে জওয়ানরা তাদের ধাওয়া করে। বিএসএফ জওয়ানদের তাদের দিকে আসতে দেখে চোরাকারবারীরা অন্ধকার এবং ঘন ঝোপের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়। এলাকাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসন্ধান করার পর, চারটি বড় বাদামী রঙের প্যাকেট পাওয়া যায় যা খোলার পর তার ভিতর থেকে ৮ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। যার আনুমানিক মূল্য ৮০,০০০/- টাকা
বিএসএফ বাজেয়াপ্ত সামগ্রী হোগলবেড়িয়া থানায় হস্তান্তর করেছে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য।
১৪১তম ব্যাটালিয়ন এর কমান্ডিং অফিসার নগেন্দ্র সিং রাউতেলা, তার জওয়ানদের আনন্দ প্রকাশ করে বলেন যে, আমাদের জওয়ানরা এলাকায় যেকোনো ধরনের চোরাচালান বন্ধ করতে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যে দুটি দেশীয় পিস্তল আজ ধরা পড়েছে তা একটি বড় অর্জন। এলাকায় এই ধরনের ঘটনা চোরাকারবারিদের উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায় দেখায়। জওয়ানদের সতর্কতা ও বোঝাপড়ার কারণে এলাকায় এমন ঘটনা রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
