মুরগির মাংস এবং ডিম স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং যা সহজে হজমযোগ্য হয় অন্যান্য প্রাণিজ প্রোটিন এর তুলনায়। ১৬ নভেম্বর জাতীয় মুরগি দিবস উপলক্ষ্যে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশন মুরগির মাংস এবং ডিমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
২০১১ সালে পোল্ট্রি শিল্পের বৃদ্ধির জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশন এর যাত্রা শুরু হয় । তখন মুরগির মাংসের উৎপাদন ছিল ০.৩৬ মিলিয়ন টন , সেই উৎপাদন এখন পর্যন্ত ২.৫ মিলিয়ন টন হয়েছে। তার সাথে ডিমের উৎপাদন ছিল ৬২০ মিলিয়ন কিন্তু বর্তমানে সেই উৎপাদন বেশ অনেকটাই বেড়ে হয়েছে ৩৫০০ মিলিয়ন । এই উৎপাদন বৃদ্ধি প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন বিভাগ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পুর্ন সমর্থন এর ফলে সম্ভব হয়েছে একথা জানান ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক মদনমোহন মাইতি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ মৎস ও প্রাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ পূর্ণেন্দু বিশ্বাস , পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর চঞ্চল গুহ, পশ্চিমবঙ্গ পোল্ট্রি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি রাধে শ্যাম রায়, বিশ্বনাথ রায় প্রমুখ।
পশ্চিমবঙ্গের প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ভার্চুয়াল ভাবে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তিনি বলেন আরো বেশি করে মুরগির মাংস খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে প্রচার করতে হবে এবং উত্তর উত্তর ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশন এর অগ্রগতি কামনা করেছেন তিনি।
ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশন এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে মুরগির মাংসের খাওয়া বাড়াতে এবং রাজ্যের সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে উপকারিতা সম্পর্কে কাগজ ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন , মুরগির মাংস রান্নার প্রণালী প্রতিযোগিতা এবং মুরগির মাংস রান্নার বিভিন্ন রেসিপি সমন্বয়ে একটি বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে তার সাথে ট্যাবলো ভ্যানের মাধ্যমে রাজ্যজুড়ে প্রচার চালানো হচ্ছে।

