করোনা আবহে সারা পৃথিবীব্যাপী যখন শিক্ষাব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, বাণিজ্য একরকম প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে; মুদ্রাস্ফীতির হার চোখ কপালে উঠে যাওয়ার মত অবস্থা। ঠিক তখনই কলকাতা শহরের থেকে দূরে জেলাগুলোতে খুচরো পয়সার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে একটি বড় প্রশ্ন দেখা যাচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের শংকরপুর, দীঘা প্রভৃতি পর্যটন স্থানগুলোতে। এখানে এক টাকা, দুই টাকার খুচরো পয়সা না নেওয়ার প্রবণতা দেশীয় অর্থব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। যেমন চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল পুরুলিয়া জেলার বেগুনকোদর এর ব্যবসায়ীরা। যেখানে শুধু মাত্র পাঁচ টাকা, দশ টাকার মুদ্রা চলতে পারে। তার নিচের মুদ্রা গুলো বাতিল বলে ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় মানুষ মেনে নিয়েছে।

প্রশ্ন হচ্ছে সরকারি স্বীকৃতি প্রাপ্ত এই মুদ্রা কিভাবে সাধারণ মানুষ অস্বীকার করতে পারে? শংকরপুর বেনফিশে ঢোকার মুখে সরকারি কর্মীরা রশিদসহ এন্ট্রি পাস দিচ্ছেন। তারা এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও খুচরো পয়সা অর্থাৎ এক টাকা দুই টাকার মুদ্রাগুলো নিতে অস্বীকার করছেন।
তাহলে কি সরকারের নাকের ডগায় বসে শাসনতন্ত্রকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই ঔদ্ধত্য চলতেই থাকবে, নাকি পয়সার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করবে সরকার?
