গত ৪ ডিসেম্বর দক্ষিণ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের সীমা চৌকি ঘোজাডাঙ্গা ১৫৩ ব্যাটালিয়নের জোয়ানরা ট্রাক এবং ভারতীয় মুদ্রা সহ ০২ জন বাংলাদেশী নাগরিককে (ট্রাক ড্রাইভার এবং খালাশি) আটক করেছে।

গোয়েন্দা তথ্য পেয়ে ওই দিন সীমা চৌকি ঘোজাডাঙ্গা, ১৫৩ ব্যাটালিয়ন, সেক্টর কলকাতার জোয়ানরা আইসিপি ঘোজাডাঙ্গায় চেক করার সময় একটি বাংলাদেশী ট্রাক থামিয়ে চালক ও খালাশিকে ভালোভাবে তল্লাশি করে। তল্লাশিকালে খালাশির কাছ থেকে ৮৭,০০০/- ভারতীয় মুদ্রা পাওয়া যায় যা সে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধভাবে পরিবহন করছিল। বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের জোয়ানরা চালক ও খালাশীকে আটক করার সাথে সাথে ট্রাকটি (ঢাকা মেট্রো টিএ-১৫-৪১৫৮) জব্দ করে যেটিতে পাটের তৈরি সামগ্রী রপ্তানির জন্য আনা হচ্ছিল। গ্রেফতারকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিচয় মো. আলামিন, বয়স ২৮ বছর, গ্রাম ইসয়ান, থানা মুক্তাগাছা, জেলা ময়মনসিংহ ও মো. অলিউল ইসলাম, বয়স ২১ বছর, গ্রাম ছোবরিয়া, থানা-শাখারা, জেলা সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক চালক ও খালাশী জানায়, তারা দুজনই বাংলাদেশি নাগরিক এবং ট্রাক চালক ও খালাশির কাজ করে। তারা দুজনই রপ্তানি পণ্য নিয়ে ঢাকা থেকে ঘোজাডাঙ্গা আসছিল। অলিউল ইসলাম (খালাশী) আরও জানায়, ভোমরা আইসিপি-তে রমেশ নামে এক বাংলাদেশি ব্যক্তি তাকে মোট ৮৭,০০০/- টাকা দেয়, যে গুলো আইসিপি ঘোজাডাঙ্গার আশিক এন্টারপ্রাইজেস (মানি এক্সচেঞ্জ) কে দেওয়ার কথা ছিল। যাতে সে ১৫০ বাংলাদেশী টাকা পেত ।

আটককৃত বাংলাদেশী ট্রাক চালক ও খালাশীকে জব্দকৃত মালামালসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঘোজাডাঙ্গা কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনসংযোগ আধিকারিক দক্ষিণ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার ১৫৩ ব্যাটালিয়নের জোয়ানদের কৃতিত্বের জন্য খুশি প্রকাশ করেছেন যার ফলস্বরূপ বাংলাদেশী ট্রাক চালক এবং খালাশিকে ৮৭,০০০/- টাকা সহ গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ডিউটিতে থাকা সৈনিকদের সতর্কতার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।