ডিজিটাল; ১১ আগস্ট: স্কুল জীবন শেষ। স্কুল জীবনের সেই বন্ধুত্বের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০বছর পর আবার যোগাযোগ স্কুলের সাত বন্ধুর মধ্যে। কিশোর বয়স পেরিয়ে যৌবন পেরিয়ে সবাই এখন প্রায় বৃদ্ধ। বয়ে গেছে জীবনের একের পর এক কাহিনী। এতদিন পর কেউ সফল ব্যবসায়ী, কেউ আবার সবকিছু পেয়েও সর্বহারা।
সঞ্জয় বর্মন পরিচালিত অনুপম জোয়ারদার প্রোডাকশন এবং পূর্ব ফিল্মস প্রযোজিত ডঃ মনোজ কুমার নিবেদিত সিনেমা ব্রাদারস্। সিনেমার টিজার লঞ্চের দিন পরিচালক সঞ্জয় বর্মন ছবি সম্পর্কে জানালেন।
সঞ্জয়বাবুর কথায় আমি ছোটবেলায় যে স্কুলে বড় হয়েছি সেই স্কুল জীবন নিয়েই এই ছবির মূল প্রেক্ষাপট। এবং এই চলচ্চিত্রে সেই স্কুলকে আমি ব্যবহার করেছি। বর্তমান যুগের বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের মধ্য দিয়েই পুরনো দিনের বহু বন্ধু-বান্ধবের সাথে আবার যোগাযোগ। আমি এবং ডঃ মনোজ কুমার ছিলাম সেই স্কুলের ছাত্র। ১৯৮৮ সালে আমরা সেখান থেকে মাধ্যমিক পাস করে বেরিয়েছি তাই আমার গল্পে আমি সেই সময়ের কথা উল্লেখ করেছি।
মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন দেবদূত ঘোষ ছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দীপান্বিতা নাথ, অভিরূপ চৌধুরী, পলা গাঙ্গুলী, পিয়া দেবনাথ সহ আরো অনেকে।
পার্থ, অ্যারন, নীল প্রতিম, সুজয়, দেবব্রত, মনোজ এবং অশ্বিনী এই সাত চরিত্র নিয়ে স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব প্রেম কনভেন্টের জীবন এই সব কিছু নিয়েই গড়ে উঠেছে ব্রাদার্স।
দু’ঘণ্টা পাঁচ মিনিটের এই সিনেমায় স্কুল জীবনের বহু সত্য ঘটনা আমি তুলে ধরতে চেয়েছি। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে এই সিনেমার শুভ মুক্তি হতে চলেছে, জানান পরিচালক।
টিজার লঞ্চের দিন উপস্থিত অভিনেতা দেবদূত ঘোষ পরিচালক কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন এই সিনেমা নিজেদের ছোটবেলার কথা বলে। ছোটবেলাকে খুঁজে পেয়ে আমার খুব ভালো লাগছে।
ছবির স্ক্রিপ্ট লিখেছেন তনিমা দাস মিত্র, ক্যামেরার দায়িত্বে অমিত ভৌমিক সুর দিয়েছেন অভিষেক সাহা। সম্পাদনার দায়িত্বে তাপস দেব রায় ও সায়ন্তন নাগ।
এই ছবি শুধুমাত্র ছোটদের নয় বড়দের তাদের নিজস্ব স্কুল জীবনে আবার ফিরিয়ে দেবে তার সাথে হারিয়ে যাওয়া বন্ধুত্বকে আবার ফিরে পাওয়ার একটা চাহিদা গড়ে তুলবে সবার মনে এমনটাই আশা করছেন পরিচালক সঞ্জয় বর্মন।
