দক্ষিণ বঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার সীমান্ত এলাকায় গত ১৬ ই আগস্ট ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে একটি বড় অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে দুই শিশু, পাঁচজন মহিলা ও দুইজন পুরুষ। যাদের পরিচয়:- i ) ইসমাইল হালদার (৬৭), ii) নাসির হুসাইন (৩০), iii) নার্গিস বেগম (২৫) যার সাথে ০৪ বছরের মেয়ে নাইমা আক্তার ,iv) ফাহিমা বেগম (৩০) , যার সাথে ০৩ বছরের ছেলে সাইফুল ইসলাম , তারা সবাই জেলা – বাগেরহাট ,বাংলাদেশের বাসিন্দা । পাপরি সেখ (২১) জেলা – ফরিদপুর, জোহরা বিবি (৫০) জেলা- খুলনা, রূপ খাতুন (২২) নরেল জেলা, বাংলাদেশের বাসিন্দা।
বিএসএফের গোয়েন্দা শাখার সাথে সাথে অন্যান্য এজেন্সি থেকেও তথ্য পাওয়া গেছে।
বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বলেছে যে উচ্চ সদর দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এবং বি এস অফ গোয়েন্দা শাখা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, ১৬ ই আগস্ট মধ্যরাতে ৯৯ ব্যাটালিয়ন সীমা চৌকি জিতপুরের সীমান্তে সতর্ক জওয়ানরা অবৈধভাবে ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশের সময় ০৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে হেফাজতে নেয়। যাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সীমান্ত চৌকি রণঘাটে আনা হয়।
যেখানে সবাই স্বীকার করেছে যে তারা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক এবং সরোবর মির্ধা গ্রাম- বোরোবিদুর এবং আব্দুল্লাহ গ্রাম – কানিডাঙ্গা নামের বাংলাদেশী দালালদের সহায়তায় ভারতে আসছিল এবং তারা দালালদের প্রতি ব্যাক্তি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছে।
আরও অনুসন্ধানে দেখা যায় যে তারা সবাই জীবিকা নির্বাহের জন্য এবং কাজের সন্ধানে এসছিল এবং ভারতের বিভিন্ন শহরে যেতে চেয়েছিল।
গ্রেফতারকৃত সকলকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাগদাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
৯৯ ব্যাটালিয়ন এর কমান্ডিং অফিসার সঞ্জীব কুমার বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। যার মধ্যে থেকে কিছু মানুষ এবং দালাল প্রতিনিয়ত ধরা পড়ছে। যারা আইন অনুযায়ী শাস্তি পাচ্ছে। অফিসার স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, আমরা কোনো অবস্থাতেই আমাদের এলাকা থেকে অনুপ্রবেশ করতে দেব না।
