০৭ই জুলাই, দক্ষিণ বঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে ৭৮ ব্যাটেলিয়ন বিএসএফ এর জওয়ানরা সীমা চৌকি নিমতিতা এলাকা থেকে ভারত থেকে বাংলাদেশে যাওয়ার সময় ২ টি গবাদি পশুসহ ১জন ভারতীয় পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে ।
৬ ই জুলাই, ২০২১ রাত্রি আনুমানিক সাড়ে ১০ টার নাগাদ বিএসএফ গোয়েন্দা শাখার কাছে খবর আসে যে একজন ভারতীয় চোরাকারবারি ২ টি গবাদি পশুসহ নিমতিতার কাঞ্চনতলা ঘাট (ধুলিয়া) এলাকা দিয়ে গঙ্গা নদী পার হয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টায় আছে । খবরটি তৎক্ষণাৎ সীমান্ত চৌকি নিমিতার কোম্পানি কমান্ডারকে সূচিত করা হয় এবং তিনি তৎক্ষণাৎ একটি বিশেষ দল তৈরি করে দলটিকে নির্ধারিত জায়গায় তল্লাশির জন্য পাঠান । ৭ ই জুলাই, ২০২১ ভোর আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিট নাগাদ কর্তব্য জওয়ান এইচ এইচ টি আই (নাইট ক্যামেরা) দ্বারা নদী এলাকায় একজন চোরাকারবারীর সাথে গবাদি পশুর গতিবিধি দেখতে পায় । তৎক্ষণাৎ বিএসএফ বোট পার্টি তাকে নদীতে ঘিরে ফেলে এবং ভারতীয় পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে এবং ২ টি গবাদি পশু উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার কৃত পাচারকারীর নাম
মুহাম্মদ দিলবার শেখ, গ্রাম- উত্তর মহাদেব নগর, পোস্ট অফিস -মহাদেব নগর,
থানা- ফারাক্কা, জেলা- মুর্শিদাবাদ।
চোরাকারবারি জানায় যে, সে এই গবাদিপশু আনিকুল শেখ ওরফে সন্তু শেখ, পুত্র – জমরুল শেখ, গ্রাম – ওয়ার্ড ০৯, ধুলিয়া থেকে নিয়েছিল । আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করার পরে এই গবাদিপশুগুলি বাংলাদেশি চোরাচালানকারী শহিদুল শেখ, পুত্র – আয়ুব আলী ও বশির শেখ, পুত্র – ইয়াসিন শেখ, গ্রাম- থোটাপাড়া, বাংলাদেশকে দেওয়ার কথা ছিল । তার পরে সে এই কাজের জন্য১০,০০০/- টাকা পেতো , তবে গবাদি পশুদের পাচার করার জন্য নদীতে নিয়ে আসা মাত্র, বিএসএফ তাৎক্ষনাৎ ধরে ফেলে।
গ্রেপ্তারকৃত ভারতীয় পাচারকারীকে আরও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানা শমসেরগঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৭৮ ব্যাটেলিয়ন এর ভারপ্রাপ্ত কমান্ডিং অফিসার শ্রী বিশ্ববন্ধু জানিয়েছেন যে তাঁর এলাকায় গবাদি পশু পাচার পুরোপুরি আটকানো হয়েছে। তবে এই পাচারকারীরা বৃষ্টির কারণে নদীতে জলস্তর বেড়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে ভারতের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির দরিদ্র কৃষকদের গবাদিপশু চুরি করে পাচারের চেষ্টা করে, তবে সতর্ক বিএসএফ জওয়ানরা এবং আধুনিক রাতের ক্যামেরার সহায়তায় তাদের পরিকল্পনা সর্বদা নষ্ট করে দেওয়া হয়।
