ডিজিটাল ডেস্ক; ১৪ ফেব্রুয়ারি: গত ১৩ ফেব্রুয়ারী দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের কর্মীরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মাদক চোরাচালানকে ব্যর্থ করে ১০০ টি ডেরোবিন ক্রিম সহ একজন চোরাকারবারীকে আটক করেছে। চোরাকারবারিরাএসব ওষুধ ভারত থেকে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল ।
ঐ দিন বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে সীমা চৌকি হাকিমপুর, ১১২ ব্যাটালিয়ন, সেক্টর কলকাতার কর্মীদের সতর্ক করা হয়েছিল। কর্তব্যরত জওয়ানরা একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে, সাথে নাইলনের ব্যাগ নিয়ে স্বরূপদা গ্রাম থেকে হাকিমপুর গ্রামে যাওয়ার চেষ্টা করছিল । বিএসএফ-এর ডিউটি পার্টি চ্যালেঞ্জ করলে, চোরাকারবারী স্বরূপদার দিকে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করে। জওয়ানরা দ্রুত তাকে ধাওয়া করে এবং পাচারকারীকে হেফাজতে নিয়ে নেয়। তল্লাশি করে তার ব্যাগ থেকে ১০০টি ডেরোবিন ক্রিম উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত পাচারকারীর নাম আতিয়ার শেখ, (৬০), জেলা – উত্তর ২৪ পরগনা।
জিজ্ঞাসাবাদে ধরা পড়া চোরাকারবারী আতিয়ার শেখ জানায়, সে গত কয়েকদিন ধরে চোরাকারবারী হিসেবে কাজ করে আসছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি সে তার স্ত্রী গোলজান বিবির কাছ থেকে এসব ওষুধ নিয়েছিল। বিএসএফ ডিউটি লাইন অতিক্রম করে এই ওষুধগুলো আবার হাকিমপুর গ্রামে গিয়ে গোলজান বিবির কাছেই ফেরত দেওয়ার কথা ছিল ।গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি আরও জানায়, টাকার লোভে সে ও তার স্ত্রী এই কাজ করে।
গ্রেফতারকৃত চোরাকারবারী ও জব্দকৃত সকল ঔষধ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাস্টম অফিস, তেঁতুলিয়ায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
চোরাকারবারীরা দরিদ্র ও বয়স্ক লোকদের পাচারের কাজে জড়িত করছে
পাবলিক রিলেশন অফিসার, দক্ষিণ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার চোরাচালান ঠেকিয়ে ১০০ টি ডেরোবিন ক্রিম সহ একজন চোরাকারবারীকে আটক করার জন্য ১১২ ব্যাটালিয়নের কর্মীদের কৃতিত্বের জন্য আনন্দ প্রকাশ করেছেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, চোরাকারবারীরা সীমান্তের দরিদ্র ও বয়স্ক মানুষদের টার্গেট করে এবং টাকার প্রলোভনে পাচার কাজে জড়িত করে। বিএসএফ বাহক চোরাকারবারিদের গ্রেপ্তার করলেও মূল চোরাকারবারীরা অধরাই রয়ে যায়।
