গত ৩ রা জুলাই ২০২১ তারিখে দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা ১১ টি সোনার বিস্কুট সহ (১৭৫৩.৫৭ গ্রাম) ১ জন ভারতীয় চোরাচালানকারীকে গ্রেপ্তার করে। যে ১৫৩ ব্যাটেলিয়ন ,সীমান্ত চৌকি ঘোজাডাঙ্গা, উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে আসার চেষ্টা করছিলো। আটক করা সোনার ভারতীয় বাজারে দাম ৮৬,৬১,৬৪৭ টাকা।

ঐ দিন সকাল আনুমানিক ০৭ টা ১০ টার দিকে, ১৫৩ ব্যাটেলিয়ন ,সেক্টর কলকাতা,সীমান্ত চৌকি ঘোজাডাঙ্গার কোম্পানি কমান্ডার , একজন ব্যক্তির সোনা নিয়ে আসার খবর পায় ,সাথে সাথে কোম্পানি কমান্ডার ডিউটিতে থাকা জওয়ানদের এবং অ্যাকশন টিমকে সতর্ক করেন । একই সঙ্গে, কোম্পানি কমান্ডার ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসারকেও অবহিত করার পর একটি পরিকল্পনা তৈরি করেন, যাতে উত্তরপাড়া রোডের উপরে সিভিল ড্রেস পরিহিত একটি দল অবস্থান করে। যখন সন্দেহভাজন ব্যক্তি পাচারের উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক সীমান্তের দিকে আসছিল, তখন সে সিভিল ড্রেস পরিহিত বিএসএফ জওয়ানদের চিহ্নিত করতে পারেনি। যার কারণে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা তাকে ধরে ফেলে। লোকটিকে ধরার পর তাকে তল্লাশি করা হয় এবং তার কাছ থেকে ১১ টি সোনার বিস্কুট (প্রায় ১৭৫৩.৫৭ গ্রাম) উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম গোপাল সরকার (বয়স ৪৬ বছর), পিতা- অতুল সরকার, গ্রাম- সরকার পাড়া , ডাকঘর- পানিতর, থানা-বসিরহাট, জেলা উত্তর ২৪ পরগনা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তি জানিয়েছে যে সে ভারতের নাগরিক। সে বলেছে যে সে এই সোনার বিস্কুট গুলি ফিরোজ গাজী , পিতা – ইসাব গাজী , গ্রাম – ভোমরা , পোস্ট +থানা ভোমরা , জেলা – সাতক্ষীরা ,বাংলাদেশের কাছ থেকে রাতের সময় নিয়েছিল । সে আরও বলে যে এই জিনিসগুলো এক ভারতীয় পাচারকারী বিশ্বনাথ দাস পিতা – বদন দাস , গ্রাম +পোস্ট – পানিতার , থানা – বসিরহাট ,জেলা – উত্তর ২৪ পরগনা ,পশ্চিমবঙ্গকে দিতে হতো। গ্রেপ্তার ব্যক্তি আরো বলেছে যে পাচারকারী দ্বারা যে পথ অবলম্বন করছে তা উত্তরপাড়া গ্রাম থেকে চৌরঙ্গী হয়ে ইটিন্ডা হয়ে কলকাতায় যায়।

আটক ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোনার বিস্কুট সহ কাস্টম অফিস ঘোজাডাঙ্গার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জওহর সিং নেগী, কমান্ডিং অফিসার ১৫৩ বাহিনী চোরাচালানের বিরুদ্ধে তার উদ্দেশ্য পরিষ্কার জানিয়েছেন এবং জওয়ানদের সাফল্যে খুশি প্রকাশ করেছেন যার ফলস্বরূপ ০১ভারতীয় চোরাচালানিকে ১৭৫৩.৫৭ গ্রাম সোনা সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন যে এটি কেবলমাত্র তার কর্তব্যরত জওয়ানদের দ্বারা প্রদর্শিত সতর্কতার কারণে সম্ভব হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন যে তিনি তার এলাকা থেকে কোনো ধরনের চোরাচালান করতে দেবেন না।