ডিজিটাল; ২ অক্টোবর : প্রথম ঘটনায়, ১ অক্টোবর, দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের সীমা চৌকি গোবরদা, ১৫৩ ব্যাটালিয়নের জোয়ানরা জোরালো সংবাদের ভিত্তিতে কাজ করে ৪ টি সোনার বিস্কুট সহ এক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। বাজেয়াপ্ত করা বিস্কুটের ওজন ৪৭২.১২ গ্রাম এবং যার আনুমানিক মূল্য ২৪,৪৫,৮১৮/- টাকা। কর্তব্যরত জওয়ানরা বিত্তিপাড়া গ্রামের দিক থেকে একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আসতে দেখেন । খবর অনুযায়ী, জওয়ানরা ওই ব্যক্তি কাছে এলে তাকে তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৪ টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করে। সাথে সাথেই জওয়ানরা তাকে গ্রেফতার করে। ধৃত পাচারকারীর নাম রাজেশ মিশ্রি, জেলা উত্তর ২৪ পরগনা বলে প্রকাশ হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে চোরাকারবারী স্বীকার করে যে, সে গতকাল বাংলাদেশী চোরাকারবারী মহুরের কাছ থেকে এসব বিস্কুট নিয়েছিল এবং ভাদুড়ী মার্কেটে বাংলাদেশী পাচারকারী অসীম দাসের কাছে হস্তান্তর করার কথা ছিল।
আরেকটি ঘটনায়, ০১ অক্টোবর বর্ডার চৌকি হাকিমপুর, ১১২ ব্যাটালিয়নের কর্মীরা, জোরালো সংবাদের ভিত্তিতে কাজ করে, ১ মহিলা পাচারকারীকে ৫৮ টি সোনার আংটি সহ আটক করেছে। বাজেয়াপ্ত করা আংটি গুলোর ওজন ১৪০.৬৯০ গ্রাম এবং সেগুলোর আনুমানিক মূল্য ৬,৮৩,০৫০/- টাকা। কর্তব্যরত জওয়ানরা একটি সন্দেহভাজন মহিলাকে স্বরূপধা গ্রাম থেকে হাকিমপুর গ্রামের দিকে যেতে দেখে। কর্তব্যরত মহিলা কনস্টেবল তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তাকে চেকিং রুমে নিয়ে গিয়ে তল্লাশি করে বাদামী টেপে মোড়ানো ৫৮ টি সোনার আংটি উদ্ধার করে। সাথে সাথেই জওয়ানরা তাকে ধরে ফেলে। ধৃত মহিলা পাচারকারীর নাম সারমিনা খাতুন, জেলা উত্তর ২৪ পরগনা।
জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত মহিলা চোরাকারবারী জানায়, সে বেশ কিছুদিন ধরে এ ধরনের চোরাচালানের সাথে জড়িত এবং আজ স্বরূপধা বাজার থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির কাছ থেকে এসব অলংকার নিয়েছিল, এবং সেগুলো তারালী গ্রামের ঊষা গাইন এর কাছে হস্তান্তর করার কথা ছিল। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিএসএফ জওয়ানরা তাকে ধরে ফেলে ।
আটক চোরাকারবারিদের জব্দকৃত মালামালসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাস্টম অফিস তেঁতুলিয়ায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দক্ষিণ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের মুখপাত্র বলেন, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধে বিএসএফ নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ কাজে সাফল্যও পেয়েছে। যার কারণে প্রতিনিয়ত চোরাচালানের মতো অপরাধে জড়িতরা ধরা পড়ছে।
