ডিজিটাল; ৬ অক্টোবর: ৪ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীন সীমান্ত চৌকি পিপলি ১৫৮ ব্যাটালিয়নের, প্রস্তুত কর্মীরা জোরালো সংবাদের ভিত্তিতে কাজ করে ৫৫ টি সোনার বিস্কুট সহ এক চোরাচালানকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। বাজেয়াপ্ত করা সোনার বিস্কুটের ওজন ৬৪১৫.৫৩০ গ্রাম, যার আনুমানিক মূল্য ৩,২৬,২২,৯৭০/- টাকা। বিএসএফ-এর গোয়েন্দা বিভাগ থেকে জওয়ানরা তথ্য পায় যে ৩/৪ অক্টোবর মধ্যরাতে পিপলি গ্রামের দিলীপ অধিকারীকে ২ জন বাংলাদেশী পাচারকারী বিপুল পরিমাণ সোনার বিস্কুট দিয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই জওয়ানরা ওই ব্যক্তির বাড়ি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে এবং গ্রামের মুখ্য লোকদের ডেকে তাদের উপস্থিতিতে পুরো বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিকালে ঘরে রাখা হাঁড়ি থেকে ৫৫টি সোনার বিস্কুট পাওয়া যায়। জওয়ানরা অবিলম্বে চোরাকারবারিকে আটক করে এবং সোনার বিস্কুটগুলি বাজেয়াপ্ত করে এবং চোরাকারবারীকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সীমান্ত চৌকিতে নিয়ে আসে।
জিজ্ঞাসাবাদে চোরাকারবারি স্বীকার করেছে যে সে গত ১৫ বছর ধরে এ ধরনের চোরাচালানে লিপ্ত রয়েছে। সে আরও জানায়, ৩/৪ অক্টোবর মধ্যরাতের ২ বাংলাদেশি চোরাকারবারি তাকে এসব বিস্কুট দেয়। বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের পরিচয়- শহিদ ও কামাল, বাংলাদেশ। তারা এসব বিস্কুট বাংলাদেশের সুপরিচিত চোরাকারবারী আশানুরের কাছ থেকে নিয়েছিল। সে আরও জানায়, এই বিস্কুটগুলি ভারতীয় চোরাকারবারি দেবেন ঘোষ কে হস্তান্তর করা হতো। এই কাজের জন্য সে প্রতি কিলো সোনাতে আড়াই হাজার টাকা করে পেতো। কিন্তু কিছু করার আগেই তাকে বিএসএফ ধরে ফেলে ।
আটক চোরাকারবারীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জব্দকৃত মালামালসহ কাস্টম অফিস পেট্রাপোলে হস্তান্তর করা হবে।
১৫৮ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার বলেন, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধে বিএসএফ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছে এবং এ কাজে সাফল্যও পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, সোনার এই বড় চোরাচালানের সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারে, এ জন্য আমাদের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্তে নিয়োজিত রয়েছে।
