গত ৬ ডিসেম্বর দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীনে বি এস এফ চোরাচালানের প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে একজন বাংলাদেশী পাচারকারীকে ৬৫০ বোতল ফেনসিডিল সহ গ্রেপ্তার করেছে। চোরাকারবারীরা এসব ফেন্সিডিল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করছিল ।
ওই দিন তথ্যের ভিত্তিতে, সীমা চৌকি ডোবারপাড়া, ১৫৮ ব্যাটালিয়ন, সেক্টর কলকাতার কর্মীরা আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে একটি বিশেষ অ্যাম্বুশ মোতায়েন করেছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অ্যাম্বুশ পার্টি তিন সন্দেহভাজন ব্যক্তির গতিবিধি লক্ষ্য করে যারা কিছু প্লাস্টিকের ব্যাগ নিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্তের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। অ্যাম্বুশ পার্টি তাদের থামানোর চেষ্টা করলে তারা ভারতের দিকে ছুটতে থাকে, অ্যাম্বুশ পার্টি একজন চোরাকারবারীকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে এবং অন্য দুই চোরাকারবারি অন্ধকার ও ঘন জঙ্গলের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। অ্যাম্বুশ পার্টি এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে ২ টি প্লাস্টিকের ব্যাগ যার মধ্যে ৬৫০ বোতল ফেনসিডিল রাখা ছিল, তা উদ্ধার করে। ভারতীয় বাজারে বাজেয়াপ্ত ফেনসিডিলের আনুমানিক মূল্য ১,২১,৮২৩/- টাকা।
গ্রেফতারকৃত পাচারকারীর পরিচয় মো. মোস্তফা কামাল, বয়স ৩০ বছর, গ্রাম অগ্রভুলত, ডাকঘর গোগা, থানা সরসা, জেলা যশোর, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হিসেবে প্রকাশ হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধরা পড়া চোরাকারবারি মো. মোস্তফা কামাল জানায়, সে তার অপর দুই বাংলাদেশি সঙ্গী ওলিয়ার হোসেন ও কামাল হোসেনকে নিয়ে সন্ধ্যায় বাংলাদেশে থেকে ভারত এসেছিল এবং বনগাঁর বাসিন্দা সোবিক মণ্ডলের কাছ থেকে এসব ফেন্সিডিল নিয়েছিল। এই ফেনসিডিল বাংলাদেশে গিয়ে মো. তোরেকুল, পিতার নাম মো. বাদল, গ্রাম অগ্রভুলত, ডাকঘর গোগা, থানা সরসা, জেলা যশোর, বাংলাদেশ কে দিতে হতো। এ কাজের জন্য সে তিন হাজার টাকা পেতো।
গ্রেফতারকৃত চোরাকারবারী ও জব্দকৃত ফেনসিডিল পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গাইঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জনসংযোগ আধিকারিক, দক্ষিণ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার, ১৫৮ ব্যাটালিয়নের কর্মীদের কৃতিত্বের জন্য আনন্দ প্রকাশ করেছেন যেখানে জওয়ানরা এত বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল সহ ০১ জন চোরাকারবারীকে ধরেছে । তিনি বলেন যে এটি কেবল তাদের জওয়ানদের ডিউটি তে সতর্কতার কারণেই সম্ভব হয়েছে।
