প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা নির্দিষ্ট ঋণ অ্যাকাউন্টে ঋণগ্রহীতাদের ৬ মাসে(২০২০ সালের পয়লা মার্চ থেকে ২০২০ সালের ৩১-শে অগাস্ট পর্যন্ত) চক্রবৃদ্ধি সুদ এবং সরল সুদের মধ্যে পার্থক্যের জন্য এক্স-গ্রেশিয়া প্রকল্পের আওতায় ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির বকেয়া পাওনা পরিশোধে ৯৭৩.৭৪ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছে।

এতে দুর্দশাগ্রস্ত বা সুবিধাবঞ্চিত ঋণগ্রহীতারা ঋণ পরিশোধের জন্য বিলম্বিত ছাড়ের সুবিধা গ্রহণ করেছেন কিনা তা বিবেচনা না করেই ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের এই উদ্ভূত মহামারি পরিস্থিতি থেকে চাপমুক্ত করতে এবং তাদের নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবে । মন্ত্রিসভার অনুমোদন বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে ।

কোভিড-১৯ মহামারির প্রেক্ষাপটে ২০২০ সালের অক্টোবরে নির্দিষ্ট ঋণ অ্যাকাউন্টে ঋণগ্রহীতাদের ৬ মাসের জন্য (পয়লা মার্চ ২০২০ থেকে ৩১-শে অগাস্ট ২০২০ পর্যন্ত) চক্রবৃদ্ধি সুদ এবং সরল সুদের মধ্যে পার্থক্যে এক্স-গ্রেশিয়া প্রকল্পের আওতায় ৫,৫০০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছিল । তখন এই প্রকল্পের আওতায় নিম্নলিখিত ঋণগ্রহীতারা সুবিধা পেয়েছিলেন ।

অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ সংস্থা ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পেয়েছিল

শিক্ষা ঋণ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল

আবাসন ক্ষেত্রে ঋণ দেওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা পর্যন্ত

উপভোক্তাদের পণ্যক্রয় সংক্রান্ত ঋণ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত মিলেছিল

ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া ক্ষেত্রে ছাড় ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ছিল

২ কোটি টাকা পর্যন্ত যানবাহন ক্রয় সংক্রান্ত ঋণের সুবিধা ছিল

পেশাদার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ঋণের সুবিধা ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ছিল

২ কোটি টাকা পর্যন্ত উপভোক্তাদের ঋণের সুবিধা ছিল

২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের জন্য ৫৫০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয় । এই ৫৫০০ কোটি টাকার পুরো অর্থই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অনুমোদন করে ।এমনকি এই প্রকল্পের আওতায় নোডাল এজেন্সি হিসেবে এসবিআই-কে এই অর্থ প্রদান করা হয় ।

এসবিআই জানিয়েছে ঋণপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে তারা ৬৪৭৩.৭৪ কোটি টাকা পেয়েছে । এমনকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত ৫৫০০ কোটি টাকাও তারা গ্রহণ করেছে । এখন তারা বাকি ৯৭৩.৭৪ কোটি টাকার জন্য সরকারকে জানিয়েছিল । এবার সেই অর্থ মঞ্জুর হয়েছে।