ডিজিটাল; ২৯ মে: ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলির ভুয়ো পর্যালোচনা আটকাতে কেন্দ্র একটি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলবে। ভারতে ই-কমার্স সংস্থাগুলির বর্তমান ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক স্তরে এই সংস্থাগুলির উপর নজরদারি চালাতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়, কেন্দ্রীয় উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর সেগুলির পর্যালোচনা করবে। এরপর, একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে।
অ্যাডভার্টাইজিং স্ট্যান্ডার্ডস্ কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (এএসসিআই) – এর সহযোগিতায় উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর, বিভিন্ন ই-কমার্স সংস্থা, উপভোক্তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করে এমন সংগঠন, আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, আইনজীবী এবং ফিকি, সিআইআই – এর মতো সংস্থাগুলির প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বৈঠক করে। বৈঠকে ওয়েবসাইটের বিষয়ে ভুয়ো পর্যালোচনা আটকানো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। যেহেতু, উপভোক্তারা ই-কমার্সের মাধ্যমে কোনও পণ্য ক্রয়ের সময় সেটি হাতে নিয়ে যাচাই করার সুযোগ পান না, তাই তাঁদের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন পর্যালোচনার উপর নির্ভর করতে হয়। ঐসব পর্যালোচনায় ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।
উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের সচিব রোহিত কুমার সিং বলেছেন, যাঁরা পর্যালোচনা করেছেন এবং পর্যালোচনার প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়াও, স্বচ্ছতা ও ন্যায্য বাণিজ্য নীতি অনুসরণ করে ই-কমার্স সংস্থাগুলিরও জানানো প্রয়োজন বিভিন্ন পর্যালোচনার মধ্যে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক কোনটি, তা নির্ধারণের জন্য তারা কিভাবে বাছাই প্রক্রিয়ার কাজটি সম্পন্ন করেছে।
ই-কমার্স সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ভুয়ো পর্যালোচনার ক্ষেত্রে তারা নজরদারি চালানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে কোনও আইনি ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠলে তারা সেই ব্যবস্থাপনায় অংশগ্রহণে উৎসাহ প্রকাশ করেছে। অর্থের বিনিময়ে বা যাচাই না করে পর্যালোচনা করা এবং সেই পর্যালোচনার ভিড়ে সঠিক পর্যালোচনা খুঁজে পাওয়া গ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত সমস্যার বিষয়।
বৈঠকে শ্ সিং ছাড়াও বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শ্রীমতী নিধি খারে এবং যুগ্মসচিব অনুপম মিশ্র উপস্থিত ছিলেন। এএসসিআই – এর মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক শ্রীমতী মণীষা কাপুর ভুয়ো পর্যালোচনাগুলিকে কিভাবে শনাক্ত করা হবে এবং গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে সেগুলি কতটা প্রভাব বিস্তার করে, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
