কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের পৌরোহিত্যে জিএসটি পরিষদের ৪৪তম বৈঠক হয় । বৈঠকে পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কোভিড – ১৯ চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামের উপর ধার্য করা জিএসটি-র হার কম রাখা হবে।

সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে,
• টোসিলিজুমাব ও আম্ফোটেরিসিন বি –র উপর কোনো জিএসটি ধার্য হবে না। এতদিন এই দুটি ওষুধে ৫ শতাংশ হারে জিএসটি নেওয়া হতো।
• রক্তে জমাট বাধা আটকানোর জন্য হেপারিনের মতো ওষুধ ও রেমডেসিভিরের উপর জিএসটি –র পরিমাণ ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
• কোভিডের চিকিৎসায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক এবং ফার্মাসিউটিক্যাল দপ্তরের সুপারিশক্রমে যে সব ওষুধ ব্যবহার করা হবে সেগুলির উপর ৫ শতাংশ হারে জিএসটি নেওয়া হবে।
• চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত অক্সিজেন, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর (ব্যক্তিগত কাজে বিদেশ থেকে আমদানী করা কনসেনট্রেটর সহ), ভেন্টিলেটর, মাস্ক, ক্যানুলা, হেলমেট, বাইপ্যাপ মেশিন, নাসারন্ধ্র দিয়ে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করার যন্ত্র, কোভিডের নমুনা পরীক্ষার কিট, ডি-ডাইমার, আইএল – ৬, ফেরিটিন, এলডিএইচ, পালস্ অক্সিমিটারের জন্য ১২ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ হারে জিএসটি নেওয়া হবে।
• হ্যান্ড স্যানিটাইজার, তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র, শ্মশানের ব্যবহৃত গ্যাস / বৈদ্যুতিক / অন্যান্য চুল্লির জন্য জিএসটি –র পরিমাণ ১৮ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
• অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ২৮ শতাংশের পরিবর্তে ১২ শতাংশ জিএসটি ধার্য করা হয়েছে।
এই হার ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
তবে সবকিছুর মধ্যেই করো নাকি কার ক্ষেত্রে যে জিএসটি তা কোনোভাবেই কমানো হয়নি। এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিরোধীরা এই জিএসটি নিয়ে বারবার সুর চড়িয়েছেন।