ভারতে এ পর্যন্ত ১,২৮,৭৬,১০,৫৯০টি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে। গতকাল টিকা দেওয়া হয়েছে ৮০,৩৫,২৬১ জনকে। স্বাস্থ্য কর্মীদের মধ্যে ১,০৩,৮৪,৭৭৩ জন টিকার প্রথম ডোজ এবং ৯৫,৫৬,০৪৬ জন টিকার দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন। প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের মধ্যে ১,৮৩,৮১,৫৫৩ জন প্রথম ডোজ এবং ১,৬৬,০৮,৮৭২ জন দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন। ১৮-৪৪ বছর নাগরিকদের মধ্যে প্রথম ডোজ পেয়েছেন ৪৬,৯৩,১৭,১০৬ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ২৪,৮৫,৭৮,১৬৫ জন। ৪৫-৫৯ বছর বয়সী নাগরিকদের মধ্যে প্রথম ডোজ পেয়েছেন ১৮,৭৩,৫৩,১৩১ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ১২,৭৪,১৭,৪৪৫ জন। যাঁদের বয়স ৬০-এর ওপরে তাঁদের মধ্যে ১১,৭২,৪৫,৩৫৯ জন প্রথম ডোজ এবং ৮,২৭,৬৮,১৪০ জন দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন। কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে আরোগ্য লাভের হার ঊর্ধ্বমুখী। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ৪ জন কোভিড মুক্ত হয়েছেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৩ কোটি ৪০ লক্ষ ৭৯ হাজার ৬১২ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। জাতীয় আরোগ্য লাভের হার ৯৮.৩৬ শতাংশ। ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৬ হাজার ৮২২ জন। গত ১৬৩ দিন ধরে নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন ৫০ হাজারেরও কম। কেন্দ্র, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মিলিত প্রয়াসের সুফল পাওয়া যাচ্ছে। দেশে সক্রিয় সংক্রমিতের সংখ্যা নিম্নমুখী। বর্তমানে ৯৫ হাজার ১৪ জন চিকিৎসাধীন। দেশে মোট সংক্রমিতের মাত্র ০.২৭ শতাংশ চিকিৎসাধীন। ২০২০-র মার্চের পর এই হার সর্বনিম্ন। দেশ জুড়ে নমুনা পরীক্ষার ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় ১০ লক্ষ ৭৯ হাজার ৩৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশে ৬৪ কোটি ৯৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ১৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। একদিকে যখন নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার নিম্নমুখী। বর্তমানে এই হার ০.৭৮ শতাংশ এবং দৈনিক সংক্রমণের হার ০.৬৩ শতাংশ। গত ৬৪ দিন ধরে দৈনিক সংক্রমণের হার ২ শতাংশের কম আর ৯৯ দিন ধরে ৩ শতাংশের কম।
