ডিজিটাল; ২ মে: মে দিবস উদযাপনের শুরু হয়েছিল শ্রমিক ভবনে ঠিক সকাল সাড়ে ৯টায় । শহীদ স্মরণে আপন মরণে রক্ত ঋণ শোধ করার অঙ্গীকারের স্লোগানের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন করেন ব্যাংকিং আন্দোলনের সর্বভারতীয় প্রাক্তন নেতা রণজিৎ রায়। সঙ্গে ছিলেন তারই উত্তরসূরি ব্যাংকিং আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য বর্তমান সর্বভারতীয় মুখ সঞ্জয় দাস।
এর পরে তারা ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে একটি হেল্থ চেক আপ ক্যাম্পের আয়োজন করেন উৎসব প্রেক্ষাগৃহে ।সেখানে উদ্বোধক হিসাবে ছিলেন ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর স্বরূপ দাশগুপ্ত , ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় মহা প্রবন্ধক মনোজ কুমার সিং সহ ব্যাংকের বিভিন্ন কর্তা ব্যক্তিরা । রঞ্জিত রঞ্জন রায় ও উদ্বোধক দের মধ্যে ছিলেন।
রণজিৎ রঞ্জন রায় তার বক্তব্যে ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার বিশেষত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ব্যাংক জাতীয়করণের সুফল নিয়েও আলোচনা করেন।
এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর স্বরূপ দাশগুপ্ত মহাশয় স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে বলতে গিয়ে হেল্থ চেক আপ ক্যাম্পের ভুয়সী প্রশংসা করেন ও ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান।
ওই দিন বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলনে আইনবফের তরফে মূল বক্তব্য রাখেন সর্বভারতীয় সম্পাদক সঞ্জয় দাস । কেন্দ্রীয় সরকারের নিজীকরণ নীতির বিরোধিতা করে বিভিন্ন পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন সারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নিরিখে আমাদের দেশে ব্যাংক শাখার সংখ্যা কম এবং আরো বেশি বেশি সরকারি শাখা খোলার দরকার বেকারত্ব ঘোচানোর জন্য,উন্নত গ্রাহক পরিষেবা ও সাধারণ মানুষের সঞ্চিত টাকা সুরক্ষার জন্য। পরিসংখ্যান দিয়ে বুঝিয়ে দেন কেনো প্রাইভেটাইজেশন অর্থনৈতিক কারণে না রাজনৈতিক কারণেই করা হচ্ছে। প্রশ্ন করেন কেন সেন্ট্রাল ব্যাংক ও ইন্ডিয়ান ওভারসিস ব্যাংকের নাম আবার আসছে যদিও তারা প্রচুর লাভ করেছে সাম্প্রতিক কালে।
আগামী দিনে গণ আন্দোলনেরও হুমকি দেন যদি সরকার তার মনোভাব না পরিবর্তন করে।।
সাংবাদিক সম্মেলনে সঞ্জয় দাস ছাড়াও ,তরুণ সাহা, হরিহর ভাস্কর, অভিজিৎ মণ্ডল ও সংগঠনের তরফে সুকান্ত দে উপস্থিত ছিলেন।