ডিজিটাল; ২৪ জুলাই: শিক্ষা মন্ত্রক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং সারা ভারত প্রযুক্তি শিক্ষা পরিষদ (এআইসিটিই) দেশের গ্রামাঞ্চলের ও গ্রামীণ এলাকার মেয়েদের উচ্চ শিক্ষায় ভর্তিতে উৎসাহ দিতে বিভিন্ন প্রকল্প কার্যকর করছে। এর মধ্যে রয়েছে – কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য সেন্ট্রাল সেক্টর স্কিম বৃত্তি, মহিলাদের জন্য পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ এবং সমাজ বিজ্ঞানে গবেষণার জন্য স্বামী বিবেকানন্দ সিঙ্গল গার্ল চাইল্ড ফেলোশিপ, একমাত্র কন্যা সন্তানের জন্য ইন্দিরা গান্ধী স্নাতোকোত্তর বৃত্তি, প্রগতি বৃত্তি প্রকল্প, সক্ষম বৃত্তি প্রকল্প এবং ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিতে মহিলাদের পড়াশোনার জন্য উন্নয়ন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এমফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রির জন্য ন্যূনতম মান নির্ধারক আইন, ২০১৬-এ এমফিলের জন্য এক বছর এবং পিএইচডি-র জন্য দু’বছর ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। মহিলা প্রার্থীরা এমফিল বা পিএইচডি-র সময় ২৪০ দিন পর্যন্ত মাতৃত্বকালীন বা শিশু রক্ষণা-বেক্ষণে ছুটি পেতে পারেন। বিবাহ বা অন্য কোনও কারণে মহিলাদের এমফিল বা পিএইচডি-র কাজ অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যেতে হলে গবেষকদের তথ্য নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। আইআইটি-তে স্নাতক স্তরে লিঙ্গ সাম্য আনতে মহিলাদের অংশীদারিত্ব বাড়াতে আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ২০১৬-১৭ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮ শতাংশ। ২০২১-২২ – এ তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৯.৭২ শতাংশ।

রাজ্যসভায় এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার।