ডিজিটাল: দেহে রক্ত সঞ্চালন এর ভূমিকা অন্যতম প্রধান। রক্তই দেহের কোষে পৌঁছে দেয় অক্সিজেন এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি। কার্বন ডাই অক্সাইড এবং দূষিত পদার্থ বের করে আনার জন্য রক্ত প্রধান ভূমিকা পালন করে।

নানান ভাবে রক্ত সঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করা যায় যেমন- স্ট্রেচিং, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, শরীরচর্চা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি।

এক প্রতিবেদন অনুযায়ী , “বিটে থাকে শক্তিবর্ধক উপাদান নাইট্রেইটস। যা প্রাকৃতিকভাবে মাটি, বাতাস ও পানিতে পাওয়া যায়। এই উপাদান খাবারে ব্যাক্টেরিয়া নাশ ও খাবারের স্বাদ এবং রং বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়। নাইট্রেইটস দেহে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়ে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা ধমনী প্রসারিত করতে সহায়তা করে।

সবজি উচ্চ পুষ্টিসমৃদ্ধ এবং এতে কোনো সোডিয়াম বা লবণ নেই। সোডিয়াম উচ্চ রক্তচাপ এবং অস্বাস্থ্যকর রক্ত সঞ্চালনে ভূমিকা রাখে।
সবজির স্বাদ বাড়াতে এতে পছন্দসই মসলা বা ভেষজ উপাদান যোগ করা যেতে পারে।

আখরোট ভিটামিন ই সমৃদ্ধ যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং ধমনী বিশ্রাম নিতে, রক্ত জমাট বাঁধার এনজাইম নিয়ন্ত্রণে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং রক্তের প্লাটিলেটের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে।

কলা, খেজুর, বেরি, অ্যাভাকাডো পটাশিয়াম সমৃদ্ধ ফল। যেখানে মাঝারি মাপের একটা ফল বা আধা কাপ টুকরা করা ফল, এক কাপ বেরি অথবা এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ পরিমাণ শুকনা ফল থাকবে।

কম চর্বি বহুল দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। যেখানে এক পরিবেশনে এক কাপ কম চর্বি বহুল দুধ বা দই এবং দেড় আউন্স পরিমাণ কম চর্বির পনিরের সমান হবে।
(তথ্য: bdnews24)