ডিজিটাল; ২১ জুলাই: সংবিধান আইন (১০১তম সংশোধন) ২০১৬’র ১৮ নম্বর ধারানুযায়ী সংসদ আইন মোতাবেক পণ্য পরিষেবা কর পরিষদের প্রস্তাব মতো রাজ্যগুলিকে জিএসটি রূপায়ণে রাজস্ব ক্ষতির কারণে ৫ বছরের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ মেটানোর কথা। কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী এক লিখিত জবাবে সম্প্রতি রাজ্যসভায় একথা জানিয়েছেন। মন্ত্রী আরও জানান, লক্ষ্ণৌতে ৪৫তম জিএসটি পরিষদের বৈঠকে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও সম্পদ বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুটি মন্ত্রী গোষ্ঠী গঠিত হয়েছে। একটি হ’ল – জিএসটি-র পদ্ধতিগত সংস্কার সংক্রান্ত এবং অন্যটি হ’ল – জিএসটি হারে যৌক্তিকতা বিষয়ক। জিএসটি হারের যৌক্তিকতা বিষয়ক মন্ত্রী গোষ্ঠী তাদের অন্তর্বর্তী রিপোর্টটি পেশ করেছে। তাতে জিএসটি হার এবং ছাড়ে কিছু পরিবর্তনের উল্লেখ রয়েছে। এগুলি নিয়ে চণ্ডীগড়ে জিএসটি পরিষদের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

চৌধুরী আরও জানান, জিএসটি পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কেন্দ্র ও রাজ্যের নিয়মিত ধারাবাহিক সংস্কারের ফলে জিএসটি রাজস্ব আদায় সাম্প্রতিক মাসগুলিতে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২-২৩ – এর প্রথম ত্রৈমাসিকে জিএসটি বাবদ মাসিক আদায় গড়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫১ হাজার কোটি টাকা। গত বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে মাসিক গড় আদায় যেখানে ছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার কোটি টাকা। এই বৃদ্ধির হার ৩৭ শতাংশ বলে মন্ত্রী জানান।

তিনি বলেন, কয়েকটি রাজ্য জিএসটি ক্ষতিপূরণের পাঁচ বছরের সময়সীমা আরও বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। রাজ্যগুলিকে আর্থিক ক্ষতিপূরণে জিএসটি আইন, ২০১৭’র ৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে, জিএসটি রূপায়ণে রাজ্যগুলির রাজস্ব আদায়ে ক্ষতি ৫ বছরের জন্যই মেটানো হবে। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষকে ভিত্তি করে এই অন্তর্বর্তী সময়কালে রাজস্ব আদায়ে রাজ্যগুলির বার্ষিক আর্থিক বৃদ্ধি ১৪ শতাংশ সুরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়েছে। সেই মতো, রাজস্ব আদায়ে রাজ্যগুলিতে কোনও রকম ঘাটতি হলে, তা মেটানোর সংস্থান রাখা হয়।