ডিজিটাল; ১৫ এপ্রিল: ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেস কলকাতা ১৫ এপ্রিল তার ১৩ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করে ৷ অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সম্মানীয় অতিথিরা ৷ নিউরোসায়েন্সের দাবি , ভেলোর, ব্যাঙ্গালোর, চেন্নাই এবং দক্ষিণের অন্যান্য কেন্দ্রে যে সমস্ত স্নায়বিক রোগীরা যেতেন তারা বেশিরভাগ বর্তমানে নিউরোসাইন্স কলকাতায় নিজেদের চিকিৎসা করান।

সারা বিশ্ব থেকে অত্যাধুনিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এনে এখানে চিকিৎসা করানো হয়। ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেস্ কলকাতার কাছে বহু অভিজ্ঞতা সম্পন্ন চিকিৎসক রয়েছেন এবং দিন প্রতিদিন তারা বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করে আসছেন। স্ট্রোক, পারকিনসন, টিউমার সার্জারির মত চিকিৎসা এখন সম্ভব এক ছাদের তলায়।

সংস্থার তরফ থেকে জানা যায় কোন জটিল চিকিৎসার ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সেই রোগ দ্রুততার সাথে যাতে চিকিৎসা করানো যায় তার ব্যবস্থা করেন।

প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে, ডাঃ হৃষিকেশ কুমার (ভাইস চেয়ারম্যান) আই-এনকে-এর অগ্রগতির সম্পর্কে জানান ।
ইনস্টিটিউটের স্পাইনাল ইউনিট আগামী ১৬ এবং ১৭ এপ্রিল লাইভ সার্জারি কর্মশালার আয়োজন করছে, যেখানে ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে নিউরোসার্জন এবং মেরুদন্ডের সার্জনরা অংশগ্রহণ করবেন। ইনস্টিটিউটের আশা এর ফলে বর্তমানে জুনিয়র ডাক্তার এবং যারা ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনা করছেন তাদের পক্ষে খুব উপযোগী হবে।

অধ্যাপক আর পি সেনগুপ্ত, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

উপস্থিত কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘ ১৩ বছর আগে আমি যখন কাউন্সিলর ছিলাম তখন কলকাতা পৌরসভার মেয়র ছিলেন সুব্রত মুখার্জি। সেই সময় তিনি বর্তমানে নিউরোসাইন্স যে জমির উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে সেই জমি তাদের দিয়েছিলেন হাসপাতাল তৈরি করার জন্য। কিন্তু তখন আমি তার বিরোধিতা করি। আমার স্বীকার করতে কোন আপত্তি নেই তখন আমি ভুল করেছিলাম। স্নায়ু রোগীদের ক্ষেত্রে আমি সব সময় এই ইনস্টিটিউটে রেফার করব। তারা হাসিমুখে চিকিৎসা করেন আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি এই প্রতিষ্ঠানকে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকল্প স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে। আমার নয় এটি সব মহানাগরিক দের কর্তব্য যে এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকা’ ।

এছাড়া এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব, প্রফেসর আশিস চট্টোপাধ্যায়, আন্দালিব ইলিয়াস: কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার এবং অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার, ডঃ আর পি সেনগুপ্ত।