ওয়েব ডেস্ক; ১৮ জুন : মণিপালসিগনা হেলথ ইনশিওরেন্স পূর্ব ভারতের উপর ফোকাস বাড়াচ্ছে। এই মুহূর্তে ৪২টা শহরে এই বিমা কোম্পানির উপস্থিতি এবং পূর্বাঞ্চলে ১০,০০০-এর বেশি পরামর্শদাতা রয়েছেন। কোম্পানির পরিকল্পনা হল খুচরো বাজারে উপস্থিতি, শাখা নেটওয়ার্ক দ্বিগুণ করা এবং আরও ১০,০০০ পরামর্শদাতা নিয়োগ করা। এই অঞ্চলে জোরালো বৃদ্ধির পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। কোম্পানি ২০২৫ আর্থিক বর্ষে ১৩০ কোটি টাকা+ গ্রস ডিরেক্ট প্রিমিয়াম রিটন (GDPW) তুলেছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের অবদান ৫৫ কোটি টাকারবেশি।

জেনারেল ইনশিওরেন্স কাউন্সিল (GIC)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, স্ট্যান্ডঅ্যালোন স্বাস্থ্য বিমাকারীরা ২০২৫ সালের মে মাসে গতবছরের তুলনায় ১০% বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। মণিপালসিগনা ৪৩% প্রিমিয়াম বৃদ্ধি ঘটিয়ে এই সেক্টরের বৃদ্ধিকেও ছাড়িয়ে গেছে। এই বৃদ্ধি SAHI-গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ, যা মণিপালসিগনার শক্তিশালী আঞ্চলিক কৌশল এবং ক্রেতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রোডাক্ট ডিজাইনের প্রতিফলন।

গত তিন বছরে কোম্পানি পূর্ব ভারত জুড়ে ২০০ কোটি টাকা হেলথ ক্লেম পে করেছে, তার মধ্যে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই ৮০ কোটি টাকা। চিকিৎসার প্রয়োজনের মুহূর্তে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হওয়ার দায়বদ্ধতার এটা দৃষ্টান্ত।

এই অঞ্চলের স্বাস্থ্যের সামনে চ্যালেঞ্জগুলো এখনো জটিল। হাইপারটেনশন, ডায়বেটিস এবং হৃদরোগের মত অসংক্রামক রোগ (NCD) বাড়ছে। অন্যদিকে যক্ষ্মা আর ডেঙ্গুর মত সংক্রামক রোগও টিকে আছে। এই দ্বিমুখী বোঝা সার্বিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রয়োজনকে চিহ্নিত করে।

মণিপালসিগনার প্রোডাক্ট সম্ভার ডিজাইন করা হয়েছে একথা মাথায় রেখেই। সর্বাহ ছাড়া অন্য সেরা পারফর্ম করা প্ল্যানগুলোর মধ্যে আছে:

লাইফটাইম হেলথ – পর্যাপ্ত আপোসহীন স্বাস্থ্য বিমা কভার, যা ব্যক্তির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সুরক্ষার ব্যবস্থা করে।

সিনিয়র সিটিজেন প্ল্যান – ব্যক্তির জীবনের সোনার বছরগুলোর জন্যে বিশেষভাবে পরিকল্পিত পরিচর্যা।