
শুভাবরি ওয়েবডেস্ক, ১৩ এপ্রিল, দেবাঞ্জন দাস, কলকাতাঃ
প্রধানমন্ত্রীর করোনা মোকাবিলায় ঘোষণা করা ২১ দিনের লকডাউনের শেষের দিকে আমরা। কিন্তু তার মধ্যেই আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। করোনার প্রকোপ থেকে বাঁচতে এই লকডাউন যে বিশেষভাবে জরুরি তা মেনে নিচ্ছেন অনেকেই এবং তার সুপারিশ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রথমদিকে লকডাউনের প্রভাব মানুষের মধ্যে দেখা না গেলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে যেভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, মানুষ অনেকটা সচেতন হয়েছেন।
মানুষকে সচেতন করার আরেকটি পর্যায়ে ভূমিকা নিলেন রাজ্য সরকার। এখন থেকে বিশেষ প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বেরোলেই পড়তে হবে মাস্ক। সেটি হতে পারে n95, হতে পারে রুমাল কিংবা কাপড় অথবা ঘরে তৈরি করা ঘরোয়া উপায়ে মাস্ক। মাস্ক না পরলে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ-প্রশাসন। পাঠিয়ে দেওয়া হবে তাকে বাড়ির উদ্দেশ্যে এবং তাতেও যদি তিনি না শুনেন তাহলে নেওয়া হবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।
শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকারই নয়, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এই মাস্ক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশকে আরও কঠোর হতে বলেছেন, কিন্তু তার সাথে মানবিক।
আগামী কাল সকাল ১০ টা নাগাদ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। শিল্প সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই লকডাউন কিছুটা শিথিল হয় কিনা সেটা দেখার। এছাড়া লকডাউন বাড়ানো নিয়ে কি বলবেন প্রধানমন্ত্রী, তার দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ।
