কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও জাতীয় মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি মণিপুরে ১৬টি জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেছেন। জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্পগুলি খাতে ৪ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা তহবিল সংস্থান করা হয়েছে। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটিতে ১৬টি জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ২৯৮ কিলোমিটার। জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্পগুলি কাজ শেষ হলে তা রাজ্যে সব মরশুমের উপযোগী যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। সেই সঙ্গে, দেশের বাকি অংশের পাশাপাশি, প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তুলবে। এই অঞ্চলে কৃষি, শিল্প ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই প্রকল্পগুলি বড় ভূমিকা পালন করবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্য পরিষেবা ও আপৎকালীন পরিষেবা পৌঁছে দিতেও মহাসড়কগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। এছাড়াও, কর্মসংস্থান ও স্বনিযুক্তি পেশায় সামিল হওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি করবে।
ইম্ফলে জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্পগুলির উদ্বোধন করে গড়করি বলেন, এই রাজ্যের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার একাধিক প্রকল্প রূপায়ণে অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং প্রকল্পগুলির বিস্তারিত প্রতিবেদন আগামী ছ’মাসের মধ্যে পাওয়া যাবে। এরপর, এক বছরের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। ভারতমালা কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ে রাজ্যে মহাসড়কগুলির সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও শ্রী গড়করি জানান। উত্তর-পূর্বে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে জানিয়ে শ্রী গড়করি বলেন, মণিপুরের উন্নয়নে সড়ক পরিকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। সেই সঙ্গে, এ ধরনের পরিকাঠামো রাজ্যটিকে আর্থ-সামাজিক দিক থেকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। মন্ত্রী আরও বলেন, শিল্প সংস্থা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য দূরীকরণের ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ চারটি বিষয় হ’ল – জল, বিদ্যুৎ, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে ভরপুর মণিপুরে পর্যটনের অপারে সম্ভাবনা রয়েছে বলেও শ্রী গড়করি অভিমত প্রকাশ করেন।
শ্রী গড়করি যাবতীয় সমস্যা নিরসনে অংশীদারদের পূর্ণ সহযোগিতা এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানান। প্রকল্পগুলির যাবতীয় বিবরণ ওয়েবসাইটে বিস্তারিত দেওয়া হবে বলেও সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
