ওয়েব ডেস্ক; কলকাতা , ২৫ ফেব্রুয়ারী: পরবর্তী প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে থিম “বিকশিত রেলওয়ে বিকশিত ভারত ২০৪৭” বাস্তবায়ন করতে ভারতীয় রেল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই ব্যাপারে স্কুল ছাত্র – ছাত্রীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতেই পূর্ব রেল “বিকশিত রেলওয়ে বিকশিত ভারত ২০৪৭” থিমের উপর একটি চিত্রাঙ্কন ও প্রবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকে সাড়া দিয়ে গোটা দেশব্যাপী বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এই থিমের মূল উদ্দেশ্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতি ছাড়াও দূষণমুক্ত পরিবেশ ও সুশাসন। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা শুধুমাত্র যে তাদের ভাবনা, চিন্তাধারার সৃজনশীলতা দেখাতে পারবে তাই নয়, এরফলে ভারতীয় রেল তথা সমগ্র দেশ এক নূতন দিশা পেতে পারে।

পূর্ব রেলের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রেল অনুমোদিত স্কুলগুলি ছাড়াও আরও বিভিন্ন স্কুল যেমন কল্যাণী সেন্ট্রাল মডেল স্কুল , কিশোর ভারতী হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল, নর্থ পয়েন্ট ডে স্কুল, জুলিয়েন ডে স্কুল, গঙ্গানগর , পয়গাছি প্রাইমারি স্কুল, সোমরা বাজার , সোমরা বাজার বেহুলা নাটাগড় হাই স্কুল , জিরাট কলোনী হাই স্কুল, বলাগড় বারুজীবী কলোনী জি এস এক্টিভ স্কুল, জিরাট আশুতোষ নগর জি এস এস পি স্কুল, সান সাইন স্কুল অফ সাঁইথিয়া , যোগেশ্বর দত্ত উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় , ,সাঁইথিয়া, আনন্দ মার্গ প্রাইমারি স্কুল , সাঁইথিয়া, স্বামীজী বিদ্যামন্দির প্রাইমারি স্কুল, খাগড়াঘাট রোড, রানী নানাগোর জুনিয়র হাই স্কুল, খাগড়াঘাট রোড, বিদ্যাসাগর প্রাইমারি স্কুল, ডানকুনি, মডেল কিন্ডারগার্টেন , বালি , লিটল বার্ডস স্কুল, বালি, চাহালকপাড়া পূর্ব পল্লী সমাজ হাই স্কুল, লিলুয়া অংশগ্রহণ করে। এই সমস্ত ছাত্র – ছাত্রীরা ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতীয় রেল তথা ভারত কে কিভাবে আরও বিকশিত করা যায় সেই ভাবনা তাদের রচনা ও চিত্রের মাধ্যমে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে। তাদের মধ্যে যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা যায় , তা এক কথায় অভূতপূর্ব।

কৌশিক মিত্র, মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, এই প্রতিযোগিতাকে সাফল্যমন্ডিত করে তোলার জন্য পূর্ব রেল অংশগ্রহণকারী ছাত্র ছাত্রী , স্কুল কতৃপক্ষকে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে কৃতজ্ঞতা জানায়। এই উদ্যোগ বিকশিত ভারত @ ২০৪৭ এর লক্ষ্য কে পূরণ করবে এবং সর্বোপরি যুবদের উৎসাহিত করে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনেও পরোক্ষভাবে সাহায্য করে।