ডিজিটাল ডেস্ক, ৮ ফেব্রুয়ারী : পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তেলি রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে জানিয়েছেন যে, তেল সংস্থাগুলির অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পর পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত রপ্তানি করা হয়ে থাকে। ২০২০-২১ অর্থ বর্ষে তেল ক্ষেত্রে যুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত তৈল শোধনাগার এবং বেসরকারি তৈল শোধনাগার ১ লক্ষ ৫৭ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা মূল্যের ৫৬ হাজার ৭৬৯ হাজার মেট্রিক টন (টিএমটি) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য রপ্তানি করেছে।
তেল সংস্থাগুলি মূলত সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সিঙ্গাপুর, চীন, আমেরিকা, তুরস্ক, নেপাল, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডের মতো বিভিন্ন দেশে উচ্চ গতির ডিজেল, মোটর স্পিরিট, এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল, ন্যাফথা ইত্যাদি রপ্তানি করেছে।
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ২০১০ সালের ২৬শে জুন থেকে ২০১৪ সালের ১৯শে অক্টোবর পর্যন্ত বাজার নির্ধারিত হতো। এর পর থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি আন্তর্জাতিক পণ্যের মূল্য এবং বাজারের অন্যান্য পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক মূল্য এবং টাকা – ডলারের বিনিময় হারের পরিবর্তন অনুসারে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে বা কমিয়েছে। ২০১৭ সালের ১৬ই জুন থেকে সারা দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের দৈনিক মূল্য নির্ধারণ কার্যকর হয়েছে। মালবাহী পণ্যের হার, ভ্যাট/ স্থানীয় শুল্ক ইত্যাদির কারণে সারা দেশে পেট্রোলের দাম পরিবর্তিত হয়।
দেশে রান্নার গ্যাস এলপিজি-র দাম নির্ভর করে সৌদি চুক্তি মূল্য (সিপি)-এর উপর। এটি এলপিজি-র আন্তর্জাতিক মূল্যের মানদণ্ড। সৌদি চুক্তি মূল্য ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২৫৮ শতাংশ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে এই আন্তর্জাতিক দাম বৃদ্ধির প্রভাব থেকে অব্যাহতি দিতে সরকার দেশীয় এলপিজি-র জন্য কার্যকরি মূল্য পরিবর্তন করে চলেছে।
