ডিজিটাল; ২৯ জুলাই: ২০১২ সালের ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত জাতীয় নীতি (এনপিপিপি, ২০১২) এবং ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যক পণ্য আইন অনুসারে কেন্দ্র ২০১৩ সালের ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণের একটি বিজ্ঞপ্তি (ডিপিসিও, ২০১৩) প্রকাশ করে। জাতীয় ওষুধ মূল্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (এনপিপিএ) ডিপিসিও-র নির্ধারিত তালিকার ওষুধগুলির সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করেছে। এই ওষুধগুলির প্রস্তুতকারকদের প্রদেয় পণ্য ও পরিষেবা কর সহ ঐ মূল্য উপভোক্তাদের কাছ থেকে নিতে হবে। এর বেশি দাম নেওয়া চলবে না। এই পদ্ধতি অনুসরণ করে ৮৯০টি বিভিন্ন ধরনের ওষুধের দাম এনপিপিএ নির্ধারণ করেছে। এছাড়াও, ২০১৩ সালের ডিপিসিও অনুসারে ২,০২৩টি নতুন ওষুধের খুচরো মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ডায়াবেটিসের চিকিৎসার জন্য ২২ ধরনের এবং হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য ৮৪ ধরনের ওষুধের সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্যও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ডিপিসিও-র ১৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, হাঁটুর প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত সরঞ্জামের সর্বোচ্চ মূল্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।
৪২ রকমের ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধকে বাণিজ্যে লভ্যাংশ সংক্রান্ত নিয়মের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়াও, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর, পালস অক্সিমিটার, রক্তচাপ পরীক্ষার সরঞ্জাম, নেবুলাইজার, ডিজিটাল থার্মোমিটার এবং গ্লুকোমিটারকেও সংশ্লিষ্ট নিয়মের আওতায় আনা হয়েছে। নির্ধারিত তালিকার বাইরে থাকা ওষুধগুলির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য নির্ধারণে স্বাধীনতা থাকলেও এক বছরের মধ্যে ঐ ওষুধগুলির দাম ১০ শতাংশের বেশি বাড়ানো যাবে না।
লোকসভায় সম্প্রতি এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন সার ও রসায়ন প্রতিমন্ত্রী ভাগবন্ত খুবা।
