ওয়েব ডেস্ক; দেবাঞ্জন দাস; ১৫ জুন: আপনার কাছে আইডিয়া যদি ঠিক থাকে তাহলে সেই আইডিয়াকে সাপোর্ট করার জন্য সবসময় জেআইএস গ্রুপ সঙ্গে আছে এমনটাই জানান গ্রুপের ডিরেক্টর সর্দার সীমারপ্রীত সিং। কলকাতায় ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স দ্বারা আয়োজিত বিমসটেক বিজনেস কনক্লেভ ২০২৩ এ এক একান্ত সাক্ষাৎকারে একথা জানান সর্দার সীমারপ্রিত সিং।
জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর এবং কো-চেয়ার ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স ন্যাশনাল এক্সপার্ট কমিটি অন হাইয়ার এডুকেশন এন্ড ট্রেনিং – সর্দার সিমার প্রীত সিং বলেন, “বিমসটেক বিজনেস কনক্লেভ ২০২৩- এ শিক্ষা নিয়ে যে আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে তার জন্য আমি ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স কে ধন্যবাদ জানাই। এই কনক্লেভে যে সাতটি দেশ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে তাদের সবারই সংস্কৃতি, শিক্ষা, ঐতিহ্য এই সবকিছুই প্রায় একই। এই উদ্যোগের ফলে শিক্ষা ব্যবস্থায় এক অভূতপূর্ব বিবর্তন আসবে। আমাদের এখানকার ছাত্রছাত্রীরা অন্যান্য দেশে এবং সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা আমাদের দেশে এসে পড়াশুনা করবে । এর ফলে শিক্ষার আদান-প্রদান এর পথ প্রশস্থ হবে। জেআইএস এই উদ্যোগের অন্যতম অংশ হতে পেরে আনন্দিত।”
আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই জেআইএস গ্রুপের মেডিকেল কলেজ শুরু হতে চলেছে। সেই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে সীমার প্রীত সিং বলেন, “আগামী কিছু মাসের মধ্যেই জেআইএস স্কুল অফ মেডিকেল সায়েন্স এন্ড রিসার্চ শুরু হতে চলেছে যেখানে ১৫০ জন শিক্ষার্থী ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন। এবং এটি কলকাতার অদূরেই সাঁতরাগাছিতে তৈরি হচ্ছে , আপাতত এটি রাজ্য সরকারের অধীনে আরবান হসপিটাল হিসাবে ব্যবহার হবে।”
বেশ কিছুদিন আগে কল্যাণীতে জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এ এআইসিটিই আইডিয়া ল্যাব উদ্বোধন হয়েছে। ” ল্যাবটি শুধুমাত্র জেআইএস গ্রুপের পড়ুয়ারাই নয় তার সাথে অন্যান্য কলেজ/ইউনিভার্সিটির পড়ুয়ারাও নিজেদের জরুরী শিক্ষা নিতে পারবেন”, একথা জানান সর্দার সিমার প্রীত সিং।
” আমাদের অন্যতম লক্ষ্য, বেশি করে উদ্যোক্তা তৈরি করা এবং আরো বেশি করে যাতে স্টার্টআপ তৈরি হয় সেই বিষয়ে আমরা সবসময় পড়ুয়াদের সাহায্য করছি। এছাড়া নতুন স্টার্টআপদের নিজেদের গড়ে তোলার জন্য সাহায্য করছি। আপনার কাছে যদি সঠিক আইডিয়া থাকে, এবং আমাদের মানদণ্ডের সাথে মেলে তাহলে সেই আইডিয়াকে বাস্তবায়িত করার জন্য জেআইএস গ্রুপ সব সময় তাদের সাথে আছে, ” সে বিষয়েও আশ্বস্ত করেন তিনি।
তিনি জানান, “ইতিমধ্যেই ৫০ টিরও বেশি স্টার্টআপ কে আমরা সাহায্য করেছি এবং এই বাবদ প্রায় এক কোটি টাকার কাছাকাছি খরচ হয়েছে। অর্থের জন্য কোনভাবেই যাতে পড়াশোনা বন্ধ না হয় সেই বিষয়ে তৎপর জেআইএস গ্রুপ স্কলারশিপ স্কিমের অধীনে এসসি, এসটি সহ যারা যারা দারিদ্রসীমার নিচে থাকবেন তাদেরকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত স্কলারশিপ দেওয়ার ব্যবস্থা রেখেছে । এছাড়া এই বছর থেকে চালু হতে চলেছে স্পোর্টস স্কলারশিপ প্রোগ্রাম।”
