শুভাবরি ব্যুরো; ৫ জুলাই : হেমন্ত সরকার সাঁওতালিকে প্রথম সরকারি ভাষার মর্যাদা দিন, নইলে সিংহাসন ছাড়ুন – এই দাবিতে আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযান হতে চলছে ১৭ জুলাই সোমবার, ঝাড়খণ্ডের সমস্ত জেলা সদরে সরকারের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হবে , তার সাথে ৩১ জুলাই সোমবার, সমস্ত জেলা সদরে বিক্ষোভ এবং রাজ্যপালের নামে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে বলে জানায় সেঞ্জেল। গত ৪ জুলাই এই মিটিং হয়।
কুশপুত্তলিকা দাহ, ধরনা বিক্ষোভ এবং স্মারকলিপির মাধ্যমে হেমন্ত সরকারের কাছে কিছু প্রশ্নের উত্তর চাইছে তারা :
১) ৩৪৫ ধারার অধীনে সাঁওতালি ভাষাকে কেন ঝাড়খণ্ডের প্রথম সরকারি ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়নি?
২) কেন জেএমএমের এমএলএ/এমপিরা চিকি লিপির বিরুদ্ধে?
৩) মারাং বুরু কেন গত ৫ জানুয়ারি জৈনদের কাছে বিক্রি হয়েছিল?
৪) কেন সারনা ধর্ম কোডের পরিবর্তে “সারনা আদিবাসী ধর্ম কোড” বিলটি রাজ্যপালের স্বাক্ষর ছাড়াই পাস করে দিল্লিতে পাঠানো হয়েছিল? জনসাধারণকে ধোঁকা দেয়।
৫) কেন কুর্মি মাহাতোকে ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে উপজাতি বানানোর সুপারিশ করা হয়েছে?
৬) কেন CNT/SPT আইনকে গলা টিপে হত্যা করেছে এবং ২৩ মার্চ ২০২১ তারিখে নগর উন্নয়নের নামে ল্যান্ড পুল বিল পাশ করেছে?
৭) ভোট ব্যাঙ্কের লোভে বীর শহীদ সিদো মুর্মু (১২/৬/২০২০)এর বংশধর রামেশ্বর মুর্মুর সন্দেহভাজন খুনের মামলা কেন CBI তদন্ত করেনি?
৮) স্থানীয় এলাকা যখন বাস্তবায়ন করতে পারে না তাহলে ব্লক পরিকল্পনা নীতি বাস্তবায়ন করা হয় না কেন?
৯) কেন আদিবাসী স্ব-শাসন ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের সূচনা না করে ঐতিহ্যের নামে মাদকাসক্তি, কুসংস্কার, জাদুবিদ্যা, নারীবিরোধী মানসিকতা, টাকায় হান্ডিয়া মদ কেনা-বেচা ইত্যাদির প্রচার করে?
১০) কেন এখনও পর্যন্ত মহান বীর শহীদ সিদো মুর্মু এবং বিরসা মুণ্ডার বংশধরদের জন্য প্রতিটি ১০০ কোটি টাকার শেয়ার মূলধনের জন্য দুটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়নি?
এই মিটিংয়ে জাতীয় সভাপতি সাবেক এমপি সালখান মুর্মুও উপস্থিত ছিলেন।
