কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রী অনুরাগ সিং ঠাকুর নতুন দিল্লীতে প্যারালিম্পিক্সে পদক জয়ীদের সম্বর্ধনা জানিয়েছেন। জ্যাভলিন থ্রো, এস৬৪-তে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত সুমিত আন্তিল, জ্যাভলিন থ্রো এস৪৮-এ রৌপ্য পদকজয়ী দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া, ডিসকাস থ্রো এস৫৬-এ যোগেশ কাঠুনিয়া এবং হাইজাম্প টি৬৩-তে ব্রোঞ্জ পদকজয়ী শারদ কুমারকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক, ক্রীড়া সচিব রবি মিত্তল সহ অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঠাকুর বলেন, আমাদের প্যারালিম্পিয়ানদের সাফল্যে দেশ গর্বিত। তাঁদের অনবদ্য পারদর্শিতায় এটা প্রমাণিত যে, কেউ স্বপ্ন দেখলে তা পূরণ করা সম্ভব হয়। টোকিও প্যারালিম্পিক্সে ভারতীয় দলের সদস্য সংখ্যা অন্যান্য বারের তুলনায় অনেক বেশি। আর এবার পদক জয়ের সংখ্যা দুই অঙ্কে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী খেলাধুলার বিষয়ে সবসময় আগ্রহী। তিনি খেলোয়াড়দের সবসময় উৎসাহ দেন। ঠাকুর জানান আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলিতে খেলোয়াড়রা যাতে অংশগ্রহণ করতে পারেন তার জন্য সরকার সব ধরণের সহায়তা করে থাকে। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলিতে খেলোয়াড়রা যাতে তাঁদের সেরা ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করতে পারেন সেই উদ্দেশ্যে টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম স্কিমের সূচনা করা হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া দিবসে আমাদের প্যারা অ্যাথলিটরা চারটি পদক জয় করেছেন যা মেজর ধ্যানচাঁদের প্রতি সর্বশ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধা প্রদর্শন। ১৯৮৩ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারত বিজয়ী হওয়ার পর খেলাধুলার সম্পর্কে ধারণা বদলে যায় এবং দেশের বিভিন্ন খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। ঠাকুর এবারের প্যারালিম্পিক্সে অবনীর দুটি পদক জয়কে অনবদ্য বলে বর্ণনা করেন।
আলোচনার সময় প্যারা অ্যাথলিটরা জানান প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় করায় খেলোয়াড়দের মনোবল বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় তাঁদের উৎসাহ উদ্দীপনা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়রা যেভাবে সাহায্য পাচ্ছেন তার ফলে তাঁদের মনোবলও তুঙ্গে