১৬ জানুয়ারি, ২০২১
ভারতের এই টিকাকরণ অভিযান মানুষ – কেন্দ্রিক প্রয়াসের মাধ্যমে পরিচালিত
সাধারণ মানুষকে আত্মসুরক্ষা সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে টিকা সংক্রান্ত রীতিনীতিগুলি মেনে চলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ভারতের কোভিড-১৯ টিকাকরণ অভিযান অত্যন্ত মানবিক এবং গুরুত্বপূর্ণ রীতিনীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে। যাদের টিকার সবথেকে বেশি প্রয়োজন তাদের প্রথমেই টিকাকরণ করা হবে। এমনকি যাদের সংক্রমণের ঝুঁকি সর্বাধিক তাদের প্রথমেই টিকা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের চিকিৎসক, নার্স, হাসপাতালের স্যানিটেশন কর্মী এবং আধা-চিকিৎসাকর্মীরা প্রথমেই টিকার সুবিধা পাবেন। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রে হাসপাতালগুলির কর্মীরা টিকাকরণে অগ্রাধিকার পাবে। প্রধানমন্ত্রী আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশ ব্যাপি কোভিড-১৯ টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা করেন।
মোদী বলেন, চিকিৎসাকর্মীদের পর অত্যাবশ্যক পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মী এবং দেশের নিরাপত্তা তথা আইন-শৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের টিকাকরণ করা হবে। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ বাহিনী, দমকল বাহিনী, স্যানিটেশন কর্মীদের টিকাকরণে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। চিকিৎসাকর্মীদের পর যাদের টিকাকরণ করা হবে তাদের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সরকার এদের সকলের টিকাকরণ খাতে ব্যয়ভার বহন করবে।
এই টিকাকরণ অভিযানের সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী টিকার দুটি ডোজের একটিও হাতছাড়া না করার ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রথম টিকা নেওয়ার পর দ্বিতীয় টিকার ক্ষেত্রে একমাসের ফারাক থাকবে। প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষকে টিকা নেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেও নিজেদের সুরক্ষায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার দুই সপ্তাহ পর মানব দেহে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জরুরি রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা তৈরি হতে থাকে।
প্রধানমন্ত্রী সমস্ত দেশবাসীকে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় যে ধৈর্য্য ও সংযম দেখিয়েছিলেন টিকাকরণের সময়েও তা দেখানোর অনুরোধ জানান।
