ওয়েব ডেস্ক; ১০ ফেব্রুয়ারি: নরেন্দ্র মোদী যখন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই সময় অর্থাৎ ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদিত হত ৩ হাজার ৫৩৩ কোটি ৩০ লক্ষ ইউনিট। সাড়ে ৮ বছর পর ২০২১-২২ অর্থবর্ষের হিসেবে তা ৩০-৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৭১১ কোটি ২০ লক্ষ ইউনিটে পৌঁছেছে। রাজ্যসভায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত এক আলোচনায় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, কর্মী, জন-অভিযোগ, পেনশন, পারমাণবিক শক্তি ও মহাকাশ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ জীতেন্দ্র সিং জানান প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কারনে ২০১৭ সালে ১১টি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারি জল রিঅ্যাক্টর স্থাপনের প্রস্তাব গৃহীত হয়। ১ লক্ষ ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে।
ডাঃ সিং জানান, মহাকাশ ক্ষেত্রকে বেসরকারী ক্ষেত্রের জন্য উন্মুক্ত করা মোদী সরকারের আর একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। ভারতের পরমাণু কর্মসূচিতে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থাগুলিকে যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড, ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেড এবং ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে যৌথ ভাবে কাজ করছে। অতীতে দেশের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলি মূলত দক্ষিণ ভারতের রাজ্য ও পশ্চিমে মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমান সরকার দেশের অন্যান্য স্থানেও এ ধরণের কেন্দ্র গড়ে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে হরিয়ানার ফতেহাবাদ জেলার গোরখপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। আর একটি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিশ্বের প্রথম থোরিয়াম ভিত্তিক পারমাণবিক কেন্দ্র ‘ভবানী’ তামিলনাড়ুর কলপক্কমে গড়ে তোলা হবে। এখানে জ্বালানী হিসেবে ইউরেনিয়াম-২৩৩কে ব্যবহার করা হবে। কলপক্কমে পরীক্ষামূলক থোরিয়াম বিদ্যুৎ কেন্দ্র কামিনী থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
